দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ জন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সাতজন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৪ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।
চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমেনি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। প্রতিদিনই বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। সিটি করপোরেশনগুলোকে আরও কার্যকরভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজেদের ঘর-বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
গত কয়েক বছরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ও আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ওই বছর মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং তিন লাখের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ জন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সাতজন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৪ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।
চলতি বছরের শুরু থেকেই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমেনি। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। প্রতিদিনই বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। সিটি করপোরেশনগুলোকে আরও কার্যকরভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজেদের ঘর-বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
গত কয়েক বছরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ও আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ওই বছর মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং তিন লাখের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন।

আপনার মতামত লিখুন