চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। ভূমিকম্পে উপকেন্দ্রের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে উপদ্রুত এলাকায় তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নগকু শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটা পর্যন্ত আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। বাকি ২১ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছের গ্রামগুলোতে বহু বসতবাড়ির দেওয়ালে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নগকু অঞ্চলের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ এলাকায়, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার উঁচুতে থাকা ওই অঞ্চলে তীব্র কম্পন অনুভূত হলে আতঙ্কিত অধিবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে ও গাড়িতে আশ্রয় নেন। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পের পরপরই উদ্ধার ও ত্রাণকাজে অংশ নিতে স্থানীয় দমকল ও জরুরি উদ্ধারকারী দলকে পাঠানো হয়েছে। মূল কম্পনের পর এলাকায় ৩ থেকে ৪ মাত্রার একাধিক অনুকম্পন (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীন ভূখণ্ডে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর আগে ২০১০ সালে নিকটবর্তী কিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
/

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। ভূমিকম্পে উপকেন্দ্রের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে উপদ্রুত এলাকায় তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নগকু শহরের জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটা পর্যন্ত আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। বাকি ২১ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছের গ্রামগুলোতে বহু বসতবাড়ির দেওয়ালে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নগকু অঞ্চলের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ এলাকায়, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার উঁচুতে থাকা ওই অঞ্চলে তীব্র কম্পন অনুভূত হলে আতঙ্কিত অধিবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে ও গাড়িতে আশ্রয় নেন। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পের পরপরই উদ্ধার ও ত্রাণকাজে অংশ নিতে স্থানীয় দমকল ও জরুরি উদ্ধারকারী দলকে পাঠানো হয়েছে। মূল কম্পনের পর এলাকায় ৩ থেকে ৪ মাত্রার একাধিক অনুকম্পন (আফটারশক) রেকর্ড করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর চীন ভূখণ্ডে এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর আগে ২০১০ সালে নিকটবর্তী কিংহাই প্রদেশের ইউশুতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে অন্তত ২ হাজার ৬৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
/

আপনার মতামত লিখুন