মাটির নিচে মিলল নিখোঁজ কলেজছাত্রের বস্তাবন্দী মরদেহ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর মো. শামীম (২৩) নামের এক কলেজছাত্রের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ভাদ্রা গ্রাম থেকে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, ওই যুবককে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।নিহত শামীম ভাদ্রা গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত ২১ আগস্ট বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন শামীম। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গত ২৩ আগস্ট নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা বিল্লাল মল্লিক। তদন্তে নেমে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে অনিককে আটক করে। পরে অনিকের দেওয়া তথ্যে তার বাড়ির পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত শামীমের মুঠোফোনটিও অনিকের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক বলেন, ‘ঘাতক অনিক শামীমের মোবাইল থেকে ফোন করে ৩০ মিনিটের মধ্যে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছিল। টাকা না দিলে ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেয়।’ তিনি তার সন্তান হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার অনিককে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।