রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান।
মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
বঙ্গভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাদের স্বাগত জানান।
সাক্ষাৎকালে তিন বাহিনীর প্রধান নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। তারা নিজ নিজ বাহিনীর বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।
এ সময় তারা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।
সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশরক্ষা ও জাতীয় প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
তিনি তিন বাহিনীর প্রধানকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শপথ নিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি দলীয় পদ এবং মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
তিন বাহিনীর প্রধানের এই সাক্ষাৎকারের সময় বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান।
মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
বঙ্গভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাদের স্বাগত জানান।
সাক্ষাৎকালে তিন বাহিনীর প্রধান নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। তারা নিজ নিজ বাহিনীর বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।
এ সময় তারা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন।
সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশরক্ষা ও জাতীয় প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
তিনি তিন বাহিনীর প্রধানকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শপথ নিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি দলীয় পদ এবং মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
তিন বাহিনীর প্রধানের এই সাক্ষাৎকারের সময় বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন