বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স এবং মরক্কোর মধ্যকার লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবে। বোস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে গোলের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। আক্রমণভাগে ফ্রান্স দাপট দেখালেও মরক্কোর রক্ষণভাগ ছিল যথেষ্ট সতর্ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আক্রমণ ছিল বেশ ধারালো। পুরো প্রথমার্ধে তারা প্রতিপক্ষের গোলমুখে মোট ১৩টি শট নেয়। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি পাওয়ার পর গোলের বড় সুযোগ আসে।
মরক্কোর নুসাইর মাজরাউই পেনাল্টি বক্সে এমবাপেকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। দীর্ঘ বিরতির পর নেওয়া এমবাপের স্পট-কিকটি ছিল বেশ দুর্বল, যা মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু সহজেই লুফে নেন।
ফ্রান্সের গোল পাওয়ার আরেকটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা দিনের পায়ের দূরপাল্লার শট থেকে, কিন্তু বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
অন্যদিকে, বল দখলে ৫১ শতাংশ এগিয়ে থাকলেও মরক্কোর আক্রমণভাগ পুরো সময় জুড়ে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষে দুই দলের রক্ষণভাগই অটুট থাকায় বিরতিতে যেতে হয় গোলহীন স্কোরলাইনে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স এবং মরক্কোর মধ্যকার লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবে। বোস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে গোলের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। আক্রমণভাগে ফ্রান্স দাপট দেখালেও মরক্কোর রক্ষণভাগ ছিল যথেষ্ট সতর্ক।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আক্রমণ ছিল বেশ ধারালো। পুরো প্রথমার্ধে তারা প্রতিপক্ষের গোলমুখে মোট ১৩টি শট নেয়। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ফ্রান্স পেনাল্টি পাওয়ার পর গোলের বড় সুযোগ আসে।
মরক্কোর নুসাইর মাজরাউই পেনাল্টি বক্সে এমবাপেকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। দীর্ঘ বিরতির পর নেওয়া এমবাপের স্পট-কিকটি ছিল বেশ দুর্বল, যা মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু সহজেই লুফে নেন।
ফ্রান্সের গোল পাওয়ার আরেকটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা দিনের পায়ের দূরপাল্লার শট থেকে, কিন্তু বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
অন্যদিকে, বল দখলে ৫১ শতাংশ এগিয়ে থাকলেও মরক্কোর আক্রমণভাগ পুরো সময় জুড়ে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষে দুই দলের রক্ষণভাগই অটুট থাকায় বিরতিতে যেতে হয় গোলহীন স্কোরলাইনে।

আপনার মতামত লিখুন