রংপুর নগরীর মাসুয়ারপাড়ায় সাবেক শিক্ষক ও তার পরিবারের ৪ সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রংপুরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় তারা এ জবানবন্দি দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও তার মামাতো ভাই সিদ্ধার্থকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাত আটটায় আদালতে তোলা হয়। এরপর বিচারকের খাস কামরায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি শেষে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) নির্মল চন্দ্র জানান, আসামিরা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে জবানবন্দির বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি। তিনি বলেন, ‘আসামিরা আদালতে অপরাধ স্বীকার করেছেন। যেহেতু জবানবন্দি সম্পন্ন হয়েছে, তাই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
উল্লেখ্য, রংপুর জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঠিক কী কারণে বা কার নির্দেশে এই চার খুনের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
/

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রংপুর নগরীর মাসুয়ারপাড়ায় সাবেক শিক্ষক ও তার পরিবারের ৪ সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রংপুরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় তারা এ জবানবন্দি দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও তার মামাতো ভাই সিদ্ধার্থকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাত আটটায় আদালতে তোলা হয়। এরপর বিচারকের খাস কামরায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি শেষে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) নির্মল চন্দ্র জানান, আসামিরা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে জবানবন্দির বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি। তিনি বলেন, ‘আসামিরা আদালতে অপরাধ স্বীকার করেছেন। যেহেতু জবানবন্দি সম্পন্ন হয়েছে, তাই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
উল্লেখ্য, রংপুর জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঠিক কী কারণে বা কার নির্দেশে এই চার খুনের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
/

আপনার মতামত লিখুন