সংবাদ

বাজারের মাঝখানে পশুর হাট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ


প্রতিনিধি, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)
প্রতিনিধি, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)
প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম

বাজারের মাঝখানে পশুর হাট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
ছবি : সংবাদ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদর বাজারের মাঝখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে পশুর হাট বসানোর ফলে তীব্র জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের প্রধান সড়কের ঘেঁষে গরু-ছাগলের হাট বসায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর বাজারের প্রধান সড়ক ঘেঁষা প্রায় ১ একর ৮৪ শতক জায়গায় পশুর হাটটি বসানো হয়েছে। শ্রী অরুন কান্তি চৌধুরী, শ্রী অজয় কুমার চৌধুরী, শ্রী মৃনাল কান্তি চৌধুরী ও শ্রী দেবাশীষ চৌধুরী দীর্ঘ দিন ধরে এই হাট পরিচালনা করে আসছেন।

হাটের দিনগুলোতে তীব্র যানজটের কারণে জরুরি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। এ ছাড়া যত্রতত্র পশুর বর্জ্য ফেলায় বাজারজুড়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা ও বর্জ্য মিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়, যা স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, পশুর হাট বসানো ১ একর ৮৪ শতক জায়গাটি ১ নম্বর (ডিসি) খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এটিকে দেবোত্তর সম্পত্তি দাবি করে ভোগদখল করছেন। এ সম্পত্তি নিয়ে সরকার বাদী হয়ে মামলা করলেও তা বর্তমানে থমকে আছে। এ ছাড়া হাট থেকে তোলা লাখ লাখ টাকার হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, পরিবেশ রক্ষা ও ভোগান্তি নিরসনে হাটটি দ্রুত অন্য স্থানে স্থানান্তর করা হোক।

অভিযোগের বিষয়ে ভোগদখলে থাকা শ্রী দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘জমিটি নিয়ে হাইকোর্টে একটি মামলা স্থগিত রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী হাটের সমস্ত আয় দেবসেবায় ব্যয়ের কথা বলা আছে, তাই আমরা তা পারিবারিক মন্দিরের পূজার কাজে ব্যবহার করি।’

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে এমন অপরিকল্পিত পশুর হাট বসানোর কোনো সুযোগ নেই। পথচারী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


বাজারের মাঝখানে পশুর হাট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদর বাজারের মাঝখানে নিয়মবহির্ভূতভাবে পশুর হাট বসানোর ফলে তীব্র জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের প্রধান সড়কের ঘেঁষে গরু-ছাগলের হাট বসায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর বাজারের প্রধান সড়ক ঘেঁষা প্রায় ১ একর ৮৪ শতক জায়গায় পশুর হাটটি বসানো হয়েছে। শ্রী অরুন কান্তি চৌধুরী, শ্রী অজয় কুমার চৌধুরী, শ্রী মৃনাল কান্তি চৌধুরী ও শ্রী দেবাশীষ চৌধুরী দীর্ঘ দিন ধরে এই হাট পরিচালনা করে আসছেন।

হাটের দিনগুলোতে তীব্র যানজটের কারণে জরুরি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। এ ছাড়া যত্রতত্র পশুর বর্জ্য ফেলায় বাজারজুড়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা ও বর্জ্য মিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়, যা স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, পশুর হাট বসানো ১ একর ৮৪ শতক জায়গাটি ১ নম্বর (ডিসি) খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এটিকে দেবোত্তর সম্পত্তি দাবি করে ভোগদখল করছেন। এ সম্পত্তি নিয়ে সরকার বাদী হয়ে মামলা করলেও তা বর্তমানে থমকে আছে। এ ছাড়া হাট থেকে তোলা লাখ লাখ টাকার হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, পরিবেশ রক্ষা ও ভোগান্তি নিরসনে হাটটি দ্রুত অন্য স্থানে স্থানান্তর করা হোক।

অভিযোগের বিষয়ে ভোগদখলে থাকা শ্রী দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘জমিটি নিয়ে হাইকোর্টে একটি মামলা স্থগিত রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী হাটের সমস্ত আয় দেবসেবায় ব্যয়ের কথা বলা আছে, তাই আমরা তা পারিবারিক মন্দিরের পূজার কাজে ব্যবহার করি।’

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে এমন অপরিকল্পিত পশুর হাট বসানোর কোনো সুযোগ নেই। পথচারী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত