সংবাদ

লৌহজংয়ে সরকারি খাল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ


প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

লৌহজংয়ে সরকারি খাল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ
ছবি : সংবাদ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া এলাকায় সরকারি খাল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বাসিন্দার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শিপু মৃধা, যিনি সাতঘড়িয়া মৃধাবাড়ির বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে মাটি চুরির পাশাপাশি মাদক সেবন এবং প্রতিবাদ করায় জমির মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জমির মালিকদের অভিযোগ, গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন ভোররাতে ট্রলি ও মাহিন্দ্রা গাড়ি দিয়ে খাল ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ ও সরকারি খালের পাড় ধসে পড়ার পাশাপাশি মাটি পরিবহনের ভারী যানবাহনের কারণে এলাকার নবনির্মিত সড়কটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী লাইজু আক্তার জানান, ২০২২ সালে সাতঘড়িয়া মৌজায় ১১ শতাংশ ৩০ পয়েন্ট জমি কিনে তিনি বিভিন্ন ফলদ ও কাঠের গাছ রোপণ করেন। কিন্তু গত তিন মাস ধরে শিপু মৃধা জোরপূর্বক তার জমি এবং পাশের সরকারি ‘হলদিয়া-গোয়ালীমান্দ্রা খাল’ থেকে মাটি কেটে নিচ্ছেন। লাইজু আক্তারের স্বামী কাওছার অভিযোগ করেন, মাটি কাটতে বাধা দেওয়ায় শিপু মৃধা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। শিপু মাদকাসক্ত হওয়ায় তার ভয়ে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ।

সরেজমিনে সাতঘড়িয়া মুরগির খামারসংলগ্ন এলাকায় মাটি কাটার চিহ্ন ও মাটি পরিবহনের যানবাহন দেখা গেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শিপু মৃধা বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি খালের মাটি কাটছি না, নিজের জমির মাটি বিক্রি করছি। মাদক সেবনের অভিযোগসহ আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, ‘সরকারি খালের মাটি কাটার বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মাটি জোর করে কাটার সত্যতা পাওয়া গেলেও আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লৌহজংয়ে সরকারি খাল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া এলাকায় সরকারি খাল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বাসিন্দার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শিপু মৃধা, যিনি সাতঘড়িয়া মৃধাবাড়ির বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে মাটি চুরির পাশাপাশি মাদক সেবন এবং প্রতিবাদ করায় জমির মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জমির মালিকদের অভিযোগ, গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন ভোররাতে ট্রলি ও মাহিন্দ্রা গাড়ি দিয়ে খাল ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ ও সরকারি খালের পাড় ধসে পড়ার পাশাপাশি মাটি পরিবহনের ভারী যানবাহনের কারণে এলাকার নবনির্মিত সড়কটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী লাইজু আক্তার জানান, ২০২২ সালে সাতঘড়িয়া মৌজায় ১১ শতাংশ ৩০ পয়েন্ট জমি কিনে তিনি বিভিন্ন ফলদ ও কাঠের গাছ রোপণ করেন। কিন্তু গত তিন মাস ধরে শিপু মৃধা জোরপূর্বক তার জমি এবং পাশের সরকারি ‘হলদিয়া-গোয়ালীমান্দ্রা খাল’ থেকে মাটি কেটে নিচ্ছেন। লাইজু আক্তারের স্বামী কাওছার অভিযোগ করেন, মাটি কাটতে বাধা দেওয়ায় শিপু মৃধা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। শিপু মাদকাসক্ত হওয়ায় তার ভয়ে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ।

সরেজমিনে সাতঘড়িয়া মুরগির খামারসংলগ্ন এলাকায় মাটি কাটার চিহ্ন ও মাটি পরিবহনের যানবাহন দেখা গেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শিপু মৃধা বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি খালের মাটি কাটছি না, নিজের জমির মাটি বিক্রি করছি। মাদক সেবনের অভিযোগসহ আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, ‘সরকারি খালের মাটি কাটার বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মাটি জোর করে কাটার সত্যতা পাওয়া গেলেও আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত