মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে তার সহপাঠীর অভিভাবককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। মারধর ও আছাড় দেওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
পুলিশ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রস্তুতিমূলক কুচকাওয়াজ শেষে শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিল। এ সময় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আতিকুর রহমানকে মারধরের সন্দেহে তার বাবা নাহিদ শেখ (৩৫) শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। পরে তিনি একই শ্রেণির ছাত্র হাবিবকে (১৩) ধরে শ্রেণিকক্ষের ভেতর তিনবার আছাড় দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ সময় শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা ভয়ে চিৎকার-চেচামেচি শুরু করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। পরে প্রধান শিক্ষক নাহিদ শেখকে তার কক্ষে নিয়ে যান এবং বিষয়টি সিরাজদিখান থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ বিদ্যালয়ে গিয়ে নাহিদ শেখকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক নাহিদ শেখ উপজেলার পূর্ব রাজদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর জব্বার শেখের ছেলে। ঘটনাটি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, গতকাল বুধবার দুই ছাত্রের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। এই নিয়ে আজ এক ছাত্রের অভিভাবক অন্য ছাত্রকে মারধর করেন। প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার না দিয়ে এভাবে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছাত্রকে মারধরের বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। এমন কাজটি ওই অভিভাবকের করা ঠিক হয়নি।
সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত অভিভাবক থানায় আটক আছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে তার সহপাঠীর অভিভাবককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। মারধর ও আছাড় দেওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
পুলিশ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রস্তুতিমূলক কুচকাওয়াজ শেষে শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিল। এ সময় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আতিকুর রহমানকে মারধরের সন্দেহে তার বাবা নাহিদ শেখ (৩৫) শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। পরে তিনি একই শ্রেণির ছাত্র হাবিবকে (১৩) ধরে শ্রেণিকক্ষের ভেতর তিনবার আছাড় দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ সময় শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা ভয়ে চিৎকার-চেচামেচি শুরু করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। পরে প্রধান শিক্ষক নাহিদ শেখকে তার কক্ষে নিয়ে যান এবং বিষয়টি সিরাজদিখান থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ বিদ্যালয়ে গিয়ে নাহিদ শেখকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক নাহিদ শেখ উপজেলার পূর্ব রাজদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর জব্বার শেখের ছেলে। ঘটনাটি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, গতকাল বুধবার দুই ছাত্রের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। এই নিয়ে আজ এক ছাত্রের অভিভাবক অন্য ছাত্রকে মারধর করেন। প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার না দিয়ে এভাবে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছাত্রকে মারধরের বিষয়টি খুবই লজ্জাজনক। এমন কাজটি ওই অভিভাবকের করা ঠিক হয়নি।
সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত অভিভাবক থানায় আটক আছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন