মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও গত ৫৬ বছরে বাংলাদেশ তার প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তরুণদের নেতৃত্ব ও উন্নয়ন বিষয়ক সংগঠন
জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) আয়োজিত এক কার্নিভালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মাথাপিছু আয় ও জিডিপি (GDP) এখনো
কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "বর্তমানে দেশের
প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। এছাড়া একটি বিশাল জনগোষ্ঠী
এখনো মৌলিক শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।"
তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও ইতিবাচক দিকের কথা উল্লেখ করে তিনি
বলেন, খাদ্য ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ সক্ষমতা দেখাচ্ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী
বলেন, "বর্তমানে তরুণদের একটি বড় অংশ নিজেদের উদ্যোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কৃষিভিত্তিক
খামার গড়ে তুলছে। এই স্বনির্ভরতা দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তরুণদের দক্ষতা
উন্নয়নে জেসিআই যে কাজ করছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।"
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, "বড় কিছু করতে হলে আগে স্বপ্ন দেখতে হয়, যেমনটি দেখেছিলেন জিয়াউর
রহমান। আমিও স্বপ্ন দেখি যে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। আমি একজন আশাবাদী মানুষ। এই দেশটা আমাদের,
তাই এর উন্নয়নের দায়িত্বও আমাদের। কেউ বাইরে থেকে এসে আমাদের দেশ ভালো করে দিয়ে যাবে
না।"
অনুষ্ঠানে জেসিআই-এর সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের তরুণ
উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও গত ৫৬ বছরে বাংলাদেশ তার প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তরুণদের নেতৃত্ব ও উন্নয়ন বিষয়ক সংগঠন
জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) আয়োজিত এক কার্নিভালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মাথাপিছু আয় ও জিডিপি (GDP) এখনো
কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "বর্তমানে দেশের
প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। এছাড়া একটি বিশাল জনগোষ্ঠী
এখনো মৌলিক শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।"
তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও ইতিবাচক দিকের কথা উল্লেখ করে তিনি
বলেন, খাদ্য ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ সক্ষমতা দেখাচ্ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী
বলেন, "বর্তমানে তরুণদের একটি বড় অংশ নিজেদের উদ্যোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কৃষিভিত্তিক
খামার গড়ে তুলছে। এই স্বনির্ভরতা দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তরুণদের দক্ষতা
উন্নয়নে জেসিআই যে কাজ করছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।"
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, "বড় কিছু করতে হলে আগে স্বপ্ন দেখতে হয়, যেমনটি দেখেছিলেন জিয়াউর
রহমান। আমিও স্বপ্ন দেখি যে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। আমি একজন আশাবাদী মানুষ। এই দেশটা আমাদের,
তাই এর উন্নয়নের দায়িত্বও আমাদের। কেউ বাইরে থেকে এসে আমাদের দেশ ভালো করে দিয়ে যাবে
না।"
অনুষ্ঠানে জেসিআই-এর সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের তরুণ
উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন