কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানার। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
কারখানা সূত্র জানায়, ডিএপি সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো
অ্যামোনিয়া। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই কারখানাটি পার্শ্ববর্তী চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার
লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া
সংগ্রহ করে আসছিল। কিন্তু গত ৪ মার্চ থেকে গ্যাস সংকটের কারণে ওই দুটি কারখানায় উৎপাদন
বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ডিএপি কারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। গত কয়েকদিন
মজুদ থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে উৎপাদন সচল রাখা হলেও শনিবার তা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি
দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দৈনিক ৮০০
মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে
থাকা এই কারখানাটি বন্ধ হওয়ায় দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক
প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মঈনুল হক জানান, অ্যামোনিয়া সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল
না। নতুন করে সরবরাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার চাকা ঘোরানো সম্ভব নয়।
দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করে সিইউএফএল ও কাফকোতে উৎপাদন
শুরু করা না গেলে ডিএপি সারের এই সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানার। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
কারখানা সূত্র জানায়, ডিএপি সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো
অ্যামোনিয়া। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই কারখানাটি পার্শ্ববর্তী চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার
লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া
সংগ্রহ করে আসছিল। কিন্তু গত ৪ মার্চ থেকে গ্যাস সংকটের কারণে ওই দুটি কারখানায় উৎপাদন
বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ডিএপি কারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। গত কয়েকদিন
মজুদ থাকা অ্যামোনিয়া দিয়ে উৎপাদন সচল রাখা হলেও শনিবার তা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি
দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দৈনিক ৮০০
মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে
থাকা এই কারখানাটি বন্ধ হওয়ায় দেশের সার সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক
প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মঈনুল হক জানান, অ্যামোনিয়া সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল
না। নতুন করে সরবরাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার চাকা ঘোরানো সম্ভব নয়।
দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করে সিইউএফএল ও কাফকোতে উৎপাদন
শুরু করা না গেলে ডিএপি সারের এই সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন