সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ‘ভেরি ভেরি ইমপোর্ট্যান্ট পারসন’ (ভিভিআইপি) মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে। আগামী ১০ আগস্টের পর থেকে তিনি আর এ সুবিধা পাবেন না।
এরপর তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে ড. ইউনূসকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি মর্যাদা ও এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের আওতায় পূর্বে দেওয়া সুবিধা পুনর্বিবেচনা করে তা কমিয়ে ছয় মাস করা হয়েছে।
সূত্রমতে, তখনকার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্নার সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
ইতিমধ্যে ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকেই এসএসএফের নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন। ভিভিআইপি হিসেবে তার বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা। তার উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে।
দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন তিনি।
উল্লেখ্য, ড. ইউনূস ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে নিজেই নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা দেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়।
তবে সেটি বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে নেই। সাধারণত সরকারের সব গেজেট এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়েন।
তার বিদায়ের আগেই ভিভিআইপি সুবিধা দেওয়া নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত সরকার তা পুনর্বিবেচনা করে মেয়াদ অর্ধেকে নামিয়ে আনে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ‘ভেরি ভেরি ইমপোর্ট্যান্ট পারসন’ (ভিভিআইপি) মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে। আগামী ১০ আগস্টের পর থেকে তিনি আর এ সুবিধা পাবেন না।
এরপর তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে ড. ইউনূসকে এক বছরের জন্য ভিভিআইপি মর্যাদা ও এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ছিল। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের আওতায় পূর্বে দেওয়া সুবিধা পুনর্বিবেচনা করে তা কমিয়ে ছয় মাস করা হয়েছে।
সূত্রমতে, তখনকার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্নার সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
ইতিমধ্যে ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকেই এসএসএফের নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন। ভিভিআইপি হিসেবে তার বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা। তার উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে।
দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন তিনি।
উল্লেখ্য, ড. ইউনূস ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে নিজেই নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা দেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়।
তবে সেটি বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে নেই। সাধারণত সরকারের সব গেজেট এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়েন।
তার বিদায়ের আগেই ভিভিআইপি সুবিধা দেওয়া নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত সরকার তা পুনর্বিবেচনা করে মেয়াদ অর্ধেকে নামিয়ে আনে।

আপনার মতামত লিখুন