দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র ও ‘মৎস্য হেরিটেজ’ হালদা নদীর পোনা উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বুধবার (৬ মে) বিকেলে তিনি চট্টগ্রামের রাউজান অংশের গহিরা মোবারকখীল হ্যাচারির বিভিন্ন অবকাঠামো ও পোনা উৎপাদন ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশের মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, হালদার ঐতিহ্য রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা হ্যাচারির বর্তমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি স্থানীয় ডিম সংগ্রহকারীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং রেণুর বর্তমান বাজারদর সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংগ্রহকারীরা জানান, চলতি মৌসুমে প্রথম ধাপে উৎপাদিত প্রতি কেজি রেণু ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. রাহাতুল ইসলাম, রাঙ্গুনিয়া ইউএনও মো. নাজমুল হাসান, রাউজান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়িতা বসু, রাউজান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম এবং হাটহাজারী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শওকত আলী।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র ও ‘মৎস্য হেরিটেজ’ হালদা নদীর পোনা উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বুধবার (৬ মে) বিকেলে তিনি চট্টগ্রামের রাউজান অংশের গহিরা মোবারকখীল হ্যাচারির বিভিন্ন অবকাঠামো ও পোনা উৎপাদন ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশের মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, হালদার ঐতিহ্য রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা হ্যাচারির বর্তমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি স্থানীয় ডিম সংগ্রহকারীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং রেণুর বর্তমান বাজারদর সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংগ্রহকারীরা জানান, চলতি মৌসুমে প্রথম ধাপে উৎপাদিত প্রতি কেজি রেণু ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. রাহাতুল ইসলাম, রাঙ্গুনিয়া ইউএনও মো. নাজমুল হাসান, রাউজান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়িতা বসু, রাউজান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম এবং হাটহাজারী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শওকত আলী।

আপনার মতামত লিখুন