সংবাদ

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

চালকের অভাবে ঘুরছে না সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চাকা


প্রতিনিধি, সখিপুর (টাঙ্গাইল)
প্রতিনিধি, সখিপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশ: ৬ মে ২০২৬, ০৯:১০ পিএম

চালকের অভাবে ঘুরছে না সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চাকা
ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি ১১ দিন ধরে গ্যারেজে পড়ে আছে। চালককে অন্য দপ্তরে প্রেষণে (ডেপুটেশন) বদলি করায় বন্ধ হয়ে গেছে এই জরুরি সেবা। এতে প্রতিদিন ঢাকা, টাঙ্গাইল বা ময়মনসিংহে রেফার করা রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি পরিবহনে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ জন জরুরি রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন হয়। একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স ও একজন চালক দিয়ে কোনোমতে সেবাটি চালু ছিল। তবে গত ২৬ এপ্রিল একমাত্র চালক দেবাশিস বিশ্বাসকে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেষণে নিয়ে যাওয়ায় সেবাটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতেই এমন সময়ে চালককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক নাজনীন আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে বিকল্প উপায়ে চড়া দামে বেসরকারি গাড়ি ভাড়া করতে হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ-দুটোই অপচয় হয়েছে।’

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহানা পারভীন বলেন, ‘আমাদের এখানে চালকের পদ মাত্র একটি। চালককে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেষণে নিয়ে যাওয়ায় সেবাটি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাকে দ্রুত সখিপুরে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।’

এদিকে ১১ দিন ধরে অ্যাম্বুলেন্সের চাকা না ঘোরায় সখিপুরবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত চালক নিয়োগ বা চালককে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


চালকের অভাবে ঘুরছে না সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সটি ১১ দিন ধরে গ্যারেজে পড়ে আছে। চালককে অন্য দপ্তরে প্রেষণে (ডেপুটেশন) বদলি করায় বন্ধ হয়ে গেছে এই জরুরি সেবা। এতে প্রতিদিন ঢাকা, টাঙ্গাইল বা ময়মনসিংহে রেফার করা রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি পরিবহনে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ জন জরুরি রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন হয়। একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স ও একজন চালক দিয়ে কোনোমতে সেবাটি চালু ছিল। তবে গত ২৬ এপ্রিল একমাত্র চালক দেবাশিস বিশ্বাসকে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেষণে নিয়ে যাওয়ায় সেবাটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতেই এমন সময়ে চালককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক নাজনীন আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে বিকল্প উপায়ে চড়া দামে বেসরকারি গাড়ি ভাড়া করতে হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ-দুটোই অপচয় হয়েছে।’

সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহানা পারভীন বলেন, ‘আমাদের এখানে চালকের পদ মাত্র একটি। চালককে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেষণে নিয়ে যাওয়ায় সেবাটি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাকে দ্রুত সখিপুরে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।’

এদিকে ১১ দিন ধরে অ্যাম্বুলেন্সের চাকা না ঘোরায় সখিপুরবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত চালক নিয়োগ বা চালককে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত