সাতক্ষীরায় দেশের অন্যতম সুস্বাদু আমের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই জেলার বাজারগুলোতে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী ও বোম্বাইসহ স্থানীয় জাতের আমের ব্যাপক সমারোহ দেখা যাচ্ছে। সাতক্ষীরা থেকে এসব আম এখন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) শহরের সুলতানপুর বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবচেয়ে বেশি সরবরাহ রয়েছে গোবিন্দভোগ আমের। পাইকারি বাজারে মানভেদে প্রতি মণ গোবিন্দভোগ বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকায়। তবে খুচরা বাজারে এই আমের দাম ১,৬০০ থেকে ১,৮০০ টাকা। একই দামে গোপালভোগ আমও বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সুলতানপুর বাজারের ব্যবসায়ী কবির হোসেন জানান, এ বছর আমের ফলন প্রচুর হওয়ায় সরবরাহ ভালো। ছোট-বড় সব ধরনের আমই বাজারে আসছে। ফলন বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা কম হলেও চাষিরা লাভবান হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে বাজারে আম বিক্রি করতে আসা আবু সাঈদ আক্ষেপ করে বলেন, তিনি প্রতি মণ আম ১,৬০০ টাকা আশা করলেও পাইকাররা ১,৩০০ থেকে ১,৪০০ টাকার বেশি বলছেন না। ব্যবসায়ীদের ধারণা, সরবরাহ আরও বাড়লে দাম আরও কমতে পারে।
এদিকে স্থানীয় বাজারের তুলনায় অনলাইনে আমের দাম অনেক বেশি দেখা গেছে। বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসায়ী কুরিয়ার ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রতি কেজি আমের দাম রাখছেন ১২৫ টাকা। সেই হিসেবে অনলাইনে প্রতি মণ আমের দাম পড়ছে ৫,০০০ টাকা, যা স্থানীয় বাজারের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় ৭০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ৫ মে থেকে স্থানীয় জাতের আম আসা শুরু হয়েছে এবং ১৫ মে থেকে বাজারে আসবে জনপ্রিয় ‘হিমসাগর’। তিনি আরও বলেন, ভোক্তারা যেন বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম পেতে পারেন, সেজন্য প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন অনলাইনে চড়া দামের বিষয়ে বলেন, অনলাইন ব্যবসায়ীদের ওপর কৃষি বিভাগের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রতি বছরই মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে অনলাইনে দাম নির্ধারণ করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
সাতক্ষীরায় দেশের অন্যতম সুস্বাদু আমের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই জেলার বাজারগুলোতে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী ও বোম্বাইসহ স্থানীয় জাতের আমের ব্যাপক সমারোহ দেখা যাচ্ছে। সাতক্ষীরা থেকে এসব আম এখন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) শহরের সুলতানপুর বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবচেয়ে বেশি সরবরাহ রয়েছে গোবিন্দভোগ আমের। পাইকারি বাজারে মানভেদে প্রতি মণ গোবিন্দভোগ বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকায়। তবে খুচরা বাজারে এই আমের দাম ১,৬০০ থেকে ১,৮০০ টাকা। একই দামে গোপালভোগ আমও বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সুলতানপুর বাজারের ব্যবসায়ী কবির হোসেন জানান, এ বছর আমের ফলন প্রচুর হওয়ায় সরবরাহ ভালো। ছোট-বড় সব ধরনের আমই বাজারে আসছে। ফলন বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা কম হলেও চাষিরা লাভবান হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে বাজারে আম বিক্রি করতে আসা আবু সাঈদ আক্ষেপ করে বলেন, তিনি প্রতি মণ আম ১,৬০০ টাকা আশা করলেও পাইকাররা ১,৩০০ থেকে ১,৪০০ টাকার বেশি বলছেন না। ব্যবসায়ীদের ধারণা, সরবরাহ আরও বাড়লে দাম আরও কমতে পারে।
এদিকে স্থানীয় বাজারের তুলনায় অনলাইনে আমের দাম অনেক বেশি দেখা গেছে। বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসায়ী কুরিয়ার ও আনুষঙ্গিক খরচসহ প্রতি কেজি আমের দাম রাখছেন ১২৫ টাকা। সেই হিসেবে অনলাইনে প্রতি মণ আমের দাম পড়ছে ৫,০০০ টাকা, যা স্থানীয় বাজারের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় ৭০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ৫ মে থেকে স্থানীয় জাতের আম আসা শুরু হয়েছে এবং ১৫ মে থেকে বাজারে আসবে জনপ্রিয় ‘হিমসাগর’। তিনি আরও বলেন, ভোক্তারা যেন বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম পেতে পারেন, সেজন্য প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন অনলাইনে চড়া দামের বিষয়ে বলেন, অনলাইন ব্যবসায়ীদের ওপর কৃষি বিভাগের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রতি বছরই মৌসুমী ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে অনলাইনে দাম নির্ধারণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন