বিভাগীয় নগরী রংপুরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানাচ্ছেন, ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানী সরবরাহ করা হওয়ায় সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
রংপুরে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানী বিক্রি করা হলেও বেশির ভাগ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন নেই। এর ফলে গ্রাহকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, চাহিদার অর্ধেক জ্বালানী দেওয়ার কারণে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে পাম্পে জ্বালানী শেষ হয়ে যাচ্ছে।
আজ সোমবার নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়, শাপলা চত্বর, লালবাগসহ বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, অনেক পাম্পে পেট্রোল থাকলেও অকটেন নেই। যেখানে পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে বিক্রি দুপুর ২টার পর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহক মটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে অভিযোগ করছেন, ইরান-আমেরিকা-ইস্রাইলের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কাকে কাজে লাগিয়ে সরকার রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী জনপ্রতি ২০০ টাকার বেশি জ্বালানী বিক্রি করা হচ্ছে না। ফলে মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গ্রান্ড হোটেল মোড়ের সালেক মটরস ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, বেলা ১২টার পর থেকে পেট্রোল বিক্রি বন্ধ করা হয়েছে। শুধু ডিজেল বিক্রি করা হলেও রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ কম হওয়ায় কৃষকরা সেচ দিতে সমস্যায় পড়ছেন। দমদমা এলাকার কৃষক সালাম মিয়া বলেন, “ফিলিং স্টেশনগুলো ২ লিটারের বেশি ডিজেল বিক্রি করছেনা, অথচ সেচের জন্য দিনে ৬-৭ লিটার প্রয়োজন। এভাবে চাষাবাদ সম্ভব নয়।”
রংপুরের শাপলা চত্বরে অবস্থিত বৃহৎ পাম্প ইউনিক ট্রেডার্সে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইন ধরে গ্রাহকরা পেট্রোল ও অকটেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। পাম্প কর্মচারী জয়নাল জানান, অকটেন নেই, পেট্রোল অল্প যা আছে তা দুপুর পর্যন্ত পর্যাপ্ত হবে।
ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক রহমান আলী জানিয়েছেন, ডিপো থেকে আগের মতো পূর্ণ পরিমাণ জ্বালানী সরবরাহ করা হলে সংকট হতো না। তিনি বলেন, “প্রতিটি পাম্পের দৈনিক চাহিদা ৬ হাজার লিটার, কিন্তু ডিপো থেকে অর্ধেক ৩ হাজার লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। রেশনিং পদ্ধতি চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।”

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বিভাগীয় নগরী রংপুরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানাচ্ছেন, ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানী সরবরাহ করা হওয়ায় সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
রংপুরে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানী বিক্রি করা হলেও বেশির ভাগ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন নেই। এর ফলে গ্রাহকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, চাহিদার অর্ধেক জ্বালানী দেওয়ার কারণে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে পাম্পে জ্বালানী শেষ হয়ে যাচ্ছে।
আজ সোমবার নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়, শাপলা চত্বর, লালবাগসহ বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, অনেক পাম্পে পেট্রোল থাকলেও অকটেন নেই। যেখানে পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে বিক্রি দুপুর ২টার পর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহক মটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে অভিযোগ করছেন, ইরান-আমেরিকা-ইস্রাইলের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কাকে কাজে লাগিয়ে সরকার রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে, যা গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী জনপ্রতি ২০০ টাকার বেশি জ্বালানী বিক্রি করা হচ্ছে না। ফলে মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চলাচলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গ্রান্ড হোটেল মোড়ের সালেক মটরস ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, বেলা ১২টার পর থেকে পেট্রোল বিক্রি বন্ধ করা হয়েছে। শুধু ডিজেল বিক্রি করা হলেও রেশনিং পদ্ধতিতে সরবরাহ কম হওয়ায় কৃষকরা সেচ দিতে সমস্যায় পড়ছেন। দমদমা এলাকার কৃষক সালাম মিয়া বলেন, “ফিলিং স্টেশনগুলো ২ লিটারের বেশি ডিজেল বিক্রি করছেনা, অথচ সেচের জন্য দিনে ৬-৭ লিটার প্রয়োজন। এভাবে চাষাবাদ সম্ভব নয়।”
রংপুরের শাপলা চত্বরে অবস্থিত বৃহৎ পাম্প ইউনিক ট্রেডার্সে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইন ধরে গ্রাহকরা পেট্রোল ও অকটেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। পাম্প কর্মচারী জয়নাল জানান, অকটেন নেই, পেট্রোল অল্প যা আছে তা দুপুর পর্যন্ত পর্যাপ্ত হবে।
ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক রহমান আলী জানিয়েছেন, ডিপো থেকে আগের মতো পূর্ণ পরিমাণ জ্বালানী সরবরাহ করা হলে সংকট হতো না। তিনি বলেন, “প্রতিটি পাম্পের দৈনিক চাহিদা ৬ হাজার লিটার, কিন্তু ডিপো থেকে অর্ধেক ৩ হাজার লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। রেশনিং পদ্ধতি চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন