কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির খণ্ডিত ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জোয়ারের পানিতে মরদেহটি ভেসে আসে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটির মাথা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন ছিল।
বিচকর্মী খোরশেদ আলম জোয়ারের পানির কাছাকাছি টহল দেওয়ার সময় খণ্ডিত দেহটি দেখতে পান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দিলে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সরোয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘ সময় সাগরের নোনা পানিতে থাকায় মরদেহের অধিকাংশ অংশ গলে ও পচে গেছে। বিকৃত অবস্থার কারণে এটি পুরুষ নাকি নারীর মরদেহ, তা প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
/

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির খণ্ডিত ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জোয়ারের পানিতে মরদেহটি ভেসে আসে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটির মাথা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন ছিল।
বিচকর্মী খোরশেদ আলম জোয়ারের পানির কাছাকাছি টহল দেওয়ার সময় খণ্ডিত দেহটি দেখতে পান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দিলে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সরোয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘ সময় সাগরের নোনা পানিতে থাকায় মরদেহের অধিকাংশ অংশ গলে ও পচে গেছে। বিকৃত অবস্থার কারণে এটি পুরুষ নাকি নারীর মরদেহ, তা প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
/

আপনার মতামত লিখুন