সংবাদ

ভোলাহাটে তহসিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু


প্রতিনিধি, গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
প্রতিনিধি, গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
প্রকাশ: ৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

ভোলাহাটে তহসিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু
ভোলাহাটে প্রকাশ্যে ঘুষ নিলেন তহসিলদার। ছবি : সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দেওয়ার নামে তার অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে নিজ টেবিলে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন মফিজুল ইসলাম। টাকা নেওয়ার পর তিনি তা গুনে নিজের পকেটে রেখে দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না। ভুক্তভোগী মো. আলিমুদ্দিন জানান, দুটি দলিলের নামজারির (খারিজ) জন্য তার কাছে ৯ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। বাধ্য হয়ে তিনি সেই টাকা পরিশোধ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম কোনো সদুত্তর না দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


ভোলাহাটে তহসিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দেওয়ার নামে তার অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে নিজ টেবিলে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন মফিজুল ইসলাম। টাকা নেওয়ার পর তিনি তা গুনে নিজের পকেটে রেখে দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না। ভুক্তভোগী মো. আলিমুদ্দিন জানান, দুটি দলিলের নামজারির (খারিজ) জন্য তার কাছে ৯ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। বাধ্য হয়ে তিনি সেই টাকা পরিশোধ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম কোনো সদুত্তর না দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত