ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশু নিছামনিকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ মিয়া (১৯), হাসান রাকিব (২০) ও আবু সায়েম (১৮)। এছাড়া এই মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে (১৬) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত শেষে মাত্র ৯ দিনের মাথায় অভিযোগপত্র দাখিল এবং ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে এই রায় দেওয়া হলো।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের শিশু নিছামনিকে কদম ফুল পেড়ে দেওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। সেখানে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর পাশের কংশ নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় নদী থেকে শিশুটির মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে শিশুটির শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ঘটনার পরদিন ১৫ জুন নিছামনির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিছামনির মা-বাবা। তারা দ্রুত এই সাজা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বজলুল করিম চৌধুরী এবং আসামিপক্ষে ছিলেন মকবুল হোসেন সরকার।
/

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশু নিছামনিকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ মিয়া (১৯), হাসান রাকিব (২০) ও আবু সায়েম (১৮)। এছাড়া এই মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে (১৬) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত শেষে মাত্র ৯ দিনের মাথায় অভিযোগপত্র দাখিল এবং ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে এই রায় দেওয়া হলো।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাহাটি গ্রামের শিশু নিছামনিকে কদম ফুল পেড়ে দেওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। সেখানে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর পাশের কংশ নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় নদী থেকে শিশুটির মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে শিশুটির শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ঘটনার পরদিন ১৫ জুন নিছামনির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিছামনির মা-বাবা। তারা দ্রুত এই সাজা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বজলুল করিম চৌধুরী এবং আসামিপক্ষে ছিলেন মকবুল হোসেন সরকার।
/

আপনার মতামত লিখুন