সংবাদ

কিশোরগঞ্জে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে খুনে ভাড়াটে কিলার


আবু তাহের, কিশোরগঞ্জ
আবু তাহের, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০২ এএম

কিশোরগঞ্জে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে খুনে ভাড়াটে কিলার
মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর। ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা থেকে আসা ৩ ভাড়াটে খুনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় একজন খুনিসহ মোট ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন উপজেলা সদরের বেড়িবাঁধ এলাকায় জাহেদুল আলমের নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা হাদিস মিয়া নামের এক বিএনপি কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মিঠামইন বাজার থেকে সহকর্মী হাদিস মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন জাহেদুল আলম। বাসার সামনে পৌঁছামাত্র ওত পেতে থাকা ৩ খুনি ধারালো চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জাহেদুলকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে জখম করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে হাদিস মিয়াও গুরুতর আহত হন।

আহত জাহেদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, জাহাঙ্গীরকে হত্যার জন্য ঢাকা থেকে ৩ জন ভাড়াটে খুনি আনা হয়েছিল। ৩ খুনির মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন আরও ২ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল আউয়াল বলেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এই নৃশংস ঘটনার দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

\

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


কিশোরগঞ্জে উপজেলা বিএনপি সভাপতিকে খুনে ভাড়াটে কিলার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা থেকে আসা ৩ ভাড়াটে খুনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় একজন খুনিসহ মোট ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন উপজেলা সদরের বেড়িবাঁধ এলাকায় জাহেদুল আলমের নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা হাদিস মিয়া নামের এক বিএনপি কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মিঠামইন বাজার থেকে সহকর্মী হাদিস মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন জাহেদুল আলম। বাসার সামনে পৌঁছামাত্র ওত পেতে থাকা ৩ খুনি ধারালো চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা জাহেদুলকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে জখম করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে হাদিস মিয়াও গুরুতর আহত হন।

আহত জাহেদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, জাহাঙ্গীরকে হত্যার জন্য ঢাকা থেকে ৩ জন ভাড়াটে খুনি আনা হয়েছিল। ৩ খুনির মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন আরও ২ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল আউয়াল বলেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এই নৃশংস ঘটনার দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

\


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত