সংবাদ

সব কার্ডের সুবিধা নিয়ে এবার ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম

সব কার্ডের সুবিধা নিয়ে এবার ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ আরো কিছু কার্ড থাকলেও সরকারের পর্যায়ক্রমিক সব কল্যাণমুখী নাগরিক সুবিধা একটি একক কার্ডের আওতায় আনতে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেটের সমাপনী বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য দেওয়া বিশেষ কার্ডের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো করুণা বা দয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের পরম দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতে আলাদা আলাদা সব কার্ডের সমন্বয়ে এই সর্বজনীন বা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা একক পরিচয় ও কার্ডে সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন”।

সমাপণী ভাষণে সরকারপ্রধান ২০৩৪ সালের মধ্যে ৯ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, “সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু যখন দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের কথা আসে, তখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে”।

দেশের ঋণনির্ভর অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়ে একটি টেকসই বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও এদিন সংসদকে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সেখানে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিকেই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হয়েছে”।

যুবসমাজকে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তুলতে দেশজুড়ে বিভিন্ন ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, “সরকার কেবল যুবসমাজকে ঘরে বসিয়ে না রেখে দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তি সম্পদে রূপান্তর করতে চায়। এই লক্ষ্যে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ, ব্লু ইকোনমি ও ইকোট্যুরিজম খাতে আরও ১০ লাখসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে পর্যায়ক্রমে ৯ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার”।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


সব কার্ডের সুবিধা নিয়ে এবার ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ আরো কিছু কার্ড থাকলেও সরকারের পর্যায়ক্রমিক সব কল্যাণমুখী নাগরিক সুবিধা একটি একক কার্ডের আওতায় আনতে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেটের সমাপনী বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য দেওয়া বিশেষ কার্ডের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো করুণা বা দয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের পরম দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতে আলাদা আলাদা সব কার্ডের সমন্বয়ে এই সর্বজনীন বা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা একক পরিচয় ও কার্ডে সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন”।

সমাপণী ভাষণে সরকারপ্রধান ২০৩৪ সালের মধ্যে ৯ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, “সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু যখন দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের কথা আসে, তখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে”।

দেশের ঋণনির্ভর অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়ে একটি টেকসই বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও এদিন সংসদকে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সেখানে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিকেই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হয়েছে”।

যুবসমাজকে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তুলতে দেশজুড়ে বিভিন্ন ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, “সরকার কেবল যুবসমাজকে ঘরে বসিয়ে না রেখে দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তি সম্পদে রূপান্তর করতে চায়। এই লক্ষ্যে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ, ব্লু ইকোনমি ও ইকোট্যুরিজম খাতে আরও ১০ লাখসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে পর্যায়ক্রমে ৯ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার”।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত