কিছুদিন বাদেই ঈদুল ফিতর। এরইমধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রিয়জনের কাছে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সাধারন মানুষ। সেই প্রেক্ষিতে, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট কাটছেন তারা। কিন্তু এখানেই হয়েছে বিপত্তি।
অনলাইন থেকে অনেকেই সংগ্রহ করতে পারেন নাই ট্রেনের অগ্রিম টিকেট। আবার সরাসরি রেলস্টেশনে এসের অগ্রিম টিকেটের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা করতে হচ্ছে অপেক্ষা। এদিকে, আজ সোমবার (৯ মার্চ) ছিলো অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার শেষ দিন।
রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে সরেজমিনে দেখা গেছে, অগ্রিম টিকিট কাটতে পারছেন না সাধারণ যাত্রীরা। সকাল থেকেই রেল স্টেশনে বসে পার করছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়।
এদিকে, অনেকে অভিযোগ করছেন সার্ভাস ডাউনের কারনে অনলাইনে কাটা যাচ্ছে না ট্রেনের অগ্রিম টিকেট।
টিকেট কাটতে আসা এক যাত্রী বলেন, “সকাল থেকেই ১৯ তারিখের টিকেটের জন্য অপেক্ষা করলেও এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। কাউন্টার থেকে বলছে, অনলাইনে টিকেট কাটতে, কিন্তু অনলাইনে ঢুকে দেখা যাচ্ছে সার্ফার ডাউন।
এদিকে, রেলওয়ে সূত্র বলছে, অনলাই ছাড়া অগ্রিম টিকেট কেনার কোনো সুযোগ নেই। কেবলমাত্র নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশের সমপরিমাণ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকেট যাত্রা শুরুর আগে স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকেট বিক্রির শেষ দিন ছিলো আজ সোমবার (৯ মার্চ)। এদিন পাওয়া গেছে আগামী ১৯ মার্চের ট্রেনের টিকেট।
এর আগে, পর্যায়ক্রমে ১৩ থেকে ১৮ মার্চের টিকেট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকেট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
তথ্য অনুযায়ী, অগ্রিম টিকেট এক যাত্রী সর্বোচ্চ একবার এবং সর্বোচ্চ চারটি আসন পর্যন্ত কিনতে পারবেন। তবে কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করার কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, যাত্রীদের বিশেষ অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ (স্ট্যান্ডিং টিকিট) যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
কিছুদিন বাদেই ঈদুল ফিতর। এরইমধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রিয়জনের কাছে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সাধারন মানুষ। সেই প্রেক্ষিতে, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট কাটছেন তারা। কিন্তু এখানেই হয়েছে বিপত্তি।
অনলাইন থেকে অনেকেই সংগ্রহ করতে পারেন নাই ট্রেনের অগ্রিম টিকেট। আবার সরাসরি রেলস্টেশনে এসের অগ্রিম টিকেটের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা করতে হচ্ছে অপেক্ষা। এদিকে, আজ সোমবার (৯ মার্চ) ছিলো অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার শেষ দিন।
রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে সরেজমিনে দেখা গেছে, অগ্রিম টিকিট কাটতে পারছেন না সাধারণ যাত্রীরা। সকাল থেকেই রেল স্টেশনে বসে পার করছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়।
এদিকে, অনেকে অভিযোগ করছেন সার্ভাস ডাউনের কারনে অনলাইনে কাটা যাচ্ছে না ট্রেনের অগ্রিম টিকেট।
টিকেট কাটতে আসা এক যাত্রী বলেন, “সকাল থেকেই ১৯ তারিখের টিকেটের জন্য অপেক্ষা করলেও এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। কাউন্টার থেকে বলছে, অনলাইনে টিকেট কাটতে, কিন্তু অনলাইনে ঢুকে দেখা যাচ্ছে সার্ফার ডাউন।
এদিকে, রেলওয়ে সূত্র বলছে, অনলাই ছাড়া অগ্রিম টিকেট কেনার কোনো সুযোগ নেই। কেবলমাত্র নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশের সমপরিমাণ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকেট যাত্রা শুরুর আগে স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকেট বিক্রির শেষ দিন ছিলো আজ সোমবার (৯ মার্চ)। এদিন পাওয়া গেছে আগামী ১৯ মার্চের ট্রেনের টিকেট।
এর আগে, পর্যায়ক্রমে ১৩ থেকে ১৮ মার্চের টিকেট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকেট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
তথ্য অনুযায়ী, অগ্রিম টিকেট এক যাত্রী সর্বোচ্চ একবার এবং সর্বোচ্চ চারটি আসন পর্যন্ত কিনতে পারবেন। তবে কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করার কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, যাত্রীদের বিশেষ অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ (স্ট্যান্ডিং টিকিট) যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন