বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেওয়া উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখছে। ইতোমধ্যে ১৪টি দেশে অবস্থানরত প্রায় ১৯ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এনআইডি হাতে পেয়েছেন।
সোমবার
(৯ মার্চ) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের
হালনাগাদ এক প্রতিবেদন থেকে
এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি
সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা যায়, গত
৩ মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের
১৪টি দেশের মোট ২৪টি স্টেশনে
প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি বিতরণের
কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রবাস
থেকে মোট ৮২ হাজার
৯৭৬ জন প্রবাসী নিবন্ধনের
জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে তদন্ত
শেষে ৩৯ হাজার ৭
জন নাগরিকের আবেদন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া আবেদনকারীদের মধ্যে ১৮ হাজার ৮৬৫
জনের এনআইডি কার্ড প্রিন্ট করা হয়েছে এবং
এরই মধ্যে ১৮ হাজার ৮৫৩টি
স্মার্ট কার্ড সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলোতে বিতরণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনের
তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে
সবচেয়ে বেশি ২৩ হাজার
৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। দেশটিতে
এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ১০
জনের এনআইডি প্রিন্ট করা হয়েছে। আবেদনের
দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে
রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখান থেকে ১৫ হাজার
৩৪৯টি আবেদন এসেছে।
বিপরীতে
সবচেয়ে কম ১১৫টি আবেদন
জমা পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। বর্তমানে আবুধাবি, দুবাই, রিয়াদ, জেদ্দা, লন্ডন, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, রোম, মিলান, কুয়েত
সিটি, দোহা, কুয়ালালামপুর, ক্যানবেরা, সিডনি, অটোয়া, টরন্টো, টোকিও, নিউইয়র্ক, মিয়ামি, ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মালে,
মাস্কাট ও প্রিটোরিয়াসহ মোট
২৪টি স্টেশনে এই কার্যক্রম চলছে।
ইসি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৮ বছর বা
তার বেশি বয়সী প্রবাসী
বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ১৬ থেকে ১৭
বছর বয়সীরাও এখন বিদেশে বসেই
নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন। অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণের পাশাপাশি
বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি, অনলাইন জন্ম
নিবন্ধন সনদ এবং বাংলাদেশে
বসবাসরত বাবা-মায়ের এনআইডির
কপি বা ওয়ারিশ সনদের
মতো প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে
প্রবাসীরা এই সেবার আওতায়
আসতে পারছেন।
উল্লেখ্য,
প্রবাসীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন
অফিসারের মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্তে
সঠিক হলেই কেবল আবেদনটি
অনুমোদিত হয়। যদি কোনো
প্রয়োজনীয় দলিল বিদেশে জমা
দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে
আবেদনকারী বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রতিনিধির মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারছেন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেওয়া উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখছে। ইতোমধ্যে ১৪টি দেশে অবস্থানরত প্রায় ১৯ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এনআইডি হাতে পেয়েছেন।
সোমবার
(৯ মার্চ) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের
হালনাগাদ এক প্রতিবেদন থেকে
এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি
সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা যায়, গত
৩ মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের
১৪টি দেশের মোট ২৪টি স্টেশনে
প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি বিতরণের
কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রবাস
থেকে মোট ৮২ হাজার
৯৭৬ জন প্রবাসী নিবন্ধনের
জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে তদন্ত
শেষে ৩৯ হাজার ৭
জন নাগরিকের আবেদন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া আবেদনকারীদের মধ্যে ১৮ হাজার ৮৬৫
জনের এনআইডি কার্ড প্রিন্ট করা হয়েছে এবং
এরই মধ্যে ১৮ হাজার ৮৫৩টি
স্মার্ট কার্ড সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলোতে বিতরণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনের
তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে
সবচেয়ে বেশি ২৩ হাজার
৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। দেশটিতে
এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ১০
জনের এনআইডি প্রিন্ট করা হয়েছে। আবেদনের
দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে
রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখান থেকে ১৫ হাজার
৩৪৯টি আবেদন এসেছে।
বিপরীতে
সবচেয়ে কম ১১৫টি আবেদন
জমা পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। বর্তমানে আবুধাবি, দুবাই, রিয়াদ, জেদ্দা, লন্ডন, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, রোম, মিলান, কুয়েত
সিটি, দোহা, কুয়ালালামপুর, ক্যানবেরা, সিডনি, অটোয়া, টরন্টো, টোকিও, নিউইয়র্ক, মিয়ামি, ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মালে,
মাস্কাট ও প্রিটোরিয়াসহ মোট
২৪টি স্টেশনে এই কার্যক্রম চলছে।
ইসি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৮ বছর বা
তার বেশি বয়সী প্রবাসী
বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ১৬ থেকে ১৭
বছর বয়সীরাও এখন বিদেশে বসেই
নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন। অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণের পাশাপাশি
বাংলাদেশি পাসপোর্টের কপি, অনলাইন জন্ম
নিবন্ধন সনদ এবং বাংলাদেশে
বসবাসরত বাবা-মায়ের এনআইডির
কপি বা ওয়ারিশ সনদের
মতো প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে
প্রবাসীরা এই সেবার আওতায়
আসতে পারছেন।
উল্লেখ্য,
প্রবাসীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন
অফিসারের মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদন্তে
সঠিক হলেই কেবল আবেদনটি
অনুমোদিত হয়। যদি কোনো
প্রয়োজনীয় দলিল বিদেশে জমা
দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে
আবেদনকারী বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রতিনিধির মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারছেন।

আপনার মতামত লিখুন