জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ২নং ওয়ার্ডের পালপাড়া ঠাকুরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাহেব আলী দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারে ভুগছেন। অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে না পেরে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন তিনি। তার এই দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আবির আহমেদ বিপুল মাস্টার।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে পালপাড়া ঠাকুরবাড়ি এলাকায় গিয়ে বিপুল মাস্টার সাহেব আলীর পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। সহায়তার মধ্যে ছিল ২৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি বুট, ১ কেজি রসুন, ২ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি মুড়ি, কাঁচামরিচ এবং একটি মুরগি।
এ সময় বিপুল মাস্টার বলেন, 'অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দুঃখকে যদি আমরা নিজেদের দুঃখ মনে করি, তাহলে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উচিত এমন মানুষের পাশে দাঁড়ানো।'
অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানো সাহেব আলীর পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও চার সন্তান। উপার্জনের কোনো স্থায়ী পথ না থাকায় পরিবারটি চরম অনটনে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিপুল মাস্টারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং সমাজের অন্যান্য সচ্ছল ও সহৃদয় ব্যক্তিদেরও অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ২নং ওয়ার্ডের পালপাড়া ঠাকুরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাহেব আলী দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারে ভুগছেন। অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে না পেরে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন তিনি। তার এই দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আবির আহমেদ বিপুল মাস্টার।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে পালপাড়া ঠাকুরবাড়ি এলাকায় গিয়ে বিপুল মাস্টার সাহেব আলীর পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। সহায়তার মধ্যে ছিল ২৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি বুট, ১ কেজি রসুন, ২ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি মুড়ি, কাঁচামরিচ এবং একটি মুরগি।
এ সময় বিপুল মাস্টার বলেন, 'অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দুঃখকে যদি আমরা নিজেদের দুঃখ মনে করি, তাহলে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উচিত এমন মানুষের পাশে দাঁড়ানো।'
অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানো সাহেব আলীর পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও চার সন্তান। উপার্জনের কোনো স্থায়ী পথ না থাকায় পরিবারটি চরম অনটনে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিপুল মাস্টারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং সমাজের অন্যান্য সচ্ছল ও সহৃদয় ব্যক্তিদেরও অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন