দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি
বলেন, মূলত সাধারণ মানুষের
মধ্যে তৈরি হওয়া ভয়
ও উৎকণ্ঠা থেকেই জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তবে
তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে এই উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই
কেটে যাবে। দেশে বর্তমানে জ্বালানি বা বিদ্যুতের কোনো
প্রকৃত অভাব নেই বলেও
তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ
করেন।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে একটি অস্থিরতা বিরাজ
করছে, যা দীর্ঘায়িত হলে
বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে।
তিনি
বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং
জনগণের প্রতি তাদের বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই
জনদুর্ভোগ কমাতে বা সহনীয় পর্যায়ে
রাখতে সরকারের প্রথম দিন থেকেই কাজ
চলছে।
সম্প্রতি
পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি প্রসঙ্গে অনিন্দ্য
ইসলাম অমিত বলেন, গত
সপ্তাহে চাহিদার তুলনায় দুই থেকে তিন
গুণ বেশি জ্বালানি সরবরাহ
করা হয়েছে। তারপরও মানুষের আতঙ্কিত হয়ে তেল কেনার
(প্যানিক বায়িং) প্রবণতা কমেনি।
তিনি
মনে করেন, জ্বালানি পাওয়া যাবে না বা
দাম বাড়তে পারে, এমন অমূলক আশঙ্কা
থেকেই এই অস্বাভাবিক চাহিদার
সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
স্পষ্ট করেন, পেট্রোল ও অকটেনের কোনো
ঘাটতি নেই। কারণ, পেট্রোল
দেশেই উৎপাদিত হয় এবং অকটেনের
বড় অংশও দেশীয় উৎস
থেকে পাওয়া যায়। মূলত ডিজেল
ও ফার্নেস অয়েলের জন্য আমদানির ওপর
নির্ভর করতে হয়।
রাইড
শেয়ারিং চালকদের দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী
বলেন, আগে মোটরসাইকেল চালকদের
জন্য ২ লিটার তেলের
বরাদ্দ থাকলেও এখন থেকে পাঠাও
বা উবারের মতো রাইড শেয়ারিং
চালকরা ৫ লিটার পর্যন্ত
তেল নিতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে চালকদের দীর্ঘক্ষণ
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি কমবে এবং তারা
স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবেন
বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
জ্বালানি
আমদানির হালনাগাদ তথ্য দিয়ে তিনি
জানান, ৩০ হাজার মেট্রিক
টন জ্বালানি নিয়ে একটি জাহাজ
ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং
আরেকটি বহির্নোঙরে রয়েছে, যা আজই খালাস
শুরু হবে।
এ ছাড়া
আগামী ১২ মার্চ আরও
একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকার
অবকাশ নেই।
দেশবাসীকে
আশ্বস্ত করে তিনি বলেন,
অতীতেও কোনো সংকট ছিল
না এবং বর্তমানেও আল্লাহর
রহমতে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগের কোনো
কারণ নেই। কেবল ধৈর্যের
পরিচয় দিলে পরিস্থিতি দ্রুত
স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি
বলেন, মূলত সাধারণ মানুষের
মধ্যে তৈরি হওয়া ভয়
ও উৎকণ্ঠা থেকেই জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তবে
তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে এই উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই
কেটে যাবে। দেশে বর্তমানে জ্বালানি বা বিদ্যুতের কোনো
প্রকৃত অভাব নেই বলেও
তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ
করেন।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে একটি অস্থিরতা বিরাজ
করছে, যা দীর্ঘায়িত হলে
বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে।
তিনি
বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং
জনগণের প্রতি তাদের বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই
জনদুর্ভোগ কমাতে বা সহনীয় পর্যায়ে
রাখতে সরকারের প্রথম দিন থেকেই কাজ
চলছে।
সম্প্রতি
পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি প্রসঙ্গে অনিন্দ্য
ইসলাম অমিত বলেন, গত
সপ্তাহে চাহিদার তুলনায় দুই থেকে তিন
গুণ বেশি জ্বালানি সরবরাহ
করা হয়েছে। তারপরও মানুষের আতঙ্কিত হয়ে তেল কেনার
(প্যানিক বায়িং) প্রবণতা কমেনি।
তিনি
মনে করেন, জ্বালানি পাওয়া যাবে না বা
দাম বাড়তে পারে, এমন অমূলক আশঙ্কা
থেকেই এই অস্বাভাবিক চাহিদার
সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
স্পষ্ট করেন, পেট্রোল ও অকটেনের কোনো
ঘাটতি নেই। কারণ, পেট্রোল
দেশেই উৎপাদিত হয় এবং অকটেনের
বড় অংশও দেশীয় উৎস
থেকে পাওয়া যায়। মূলত ডিজেল
ও ফার্নেস অয়েলের জন্য আমদানির ওপর
নির্ভর করতে হয়।
রাইড
শেয়ারিং চালকদের দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী
বলেন, আগে মোটরসাইকেল চালকদের
জন্য ২ লিটার তেলের
বরাদ্দ থাকলেও এখন থেকে পাঠাও
বা উবারের মতো রাইড শেয়ারিং
চালকরা ৫ লিটার পর্যন্ত
তেল নিতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে চালকদের দীর্ঘক্ষণ
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি কমবে এবং তারা
স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবেন
বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
জ্বালানি
আমদানির হালনাগাদ তথ্য দিয়ে তিনি
জানান, ৩০ হাজার মেট্রিক
টন জ্বালানি নিয়ে একটি জাহাজ
ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং
আরেকটি বহির্নোঙরে রয়েছে, যা আজই খালাস
শুরু হবে।
এ ছাড়া
আগামী ১২ মার্চ আরও
একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকার
অবকাশ নেই।
দেশবাসীকে
আশ্বস্ত করে তিনি বলেন,
অতীতেও কোনো সংকট ছিল
না এবং বর্তমানেও আল্লাহর
রহমতে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগের কোনো
কারণ নেই। কেবল ধৈর্যের
পরিচয় দিলে পরিস্থিতি দ্রুত
স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন