রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের পর জাপানের কাগোশিমা প্রদেশের ইয়াকুশিমা শহরে ভূমিধসের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই ‘অভূতপূর্ব’ বৃষ্টির প্রেক্ষিতে জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, রেকর্ড বৃষ্টির ফলে ভূমিধস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগ ঘটে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বাসিন্দাদের জীবন এখন আসন্ন বিপদের মুখে। তাই বৃষ্টি ও ঝড় অব্যাহত থাকায় নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের পাহাড় এবং নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানো ঝুঁকিপূর্ণ হলে বিকল্প হিসেবে খাড়া পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা মজবুত কোনো ভবনে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেএমএ আরও বলেছে, বিশেষ সতর্কতার জন্য অপেক্ষা করলে জীবন বাঁচানোর সময় নাও পাওয়া যেতে পারে, তাই এখনই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া জরুরি।
সম্প্রতি নেপাল ও চীনে ভয়াবহ হিমবাহ ও ভূমিধসে ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এশিয়ার আরেক দেশ জাপানে এই দুর্যোগের পূর্বাভাস বড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
\

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের পর জাপানের কাগোশিমা প্রদেশের ইয়াকুশিমা শহরে ভূমিধসের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই ‘অভূতপূর্ব’ বৃষ্টির প্রেক্ষিতে জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, রেকর্ড বৃষ্টির ফলে ভূমিধস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগ ঘটে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বাসিন্দাদের জীবন এখন আসন্ন বিপদের মুখে। তাই বৃষ্টি ও ঝড় অব্যাহত থাকায় নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের পাহাড় এবং নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানো ঝুঁকিপূর্ণ হলে বিকল্প হিসেবে খাড়া পাহাড়ের বিপরীত দিকে থাকা মজবুত কোনো ভবনে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেএমএ আরও বলেছে, বিশেষ সতর্কতার জন্য অপেক্ষা করলে জীবন বাঁচানোর সময় নাও পাওয়া যেতে পারে, তাই এখনই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া জরুরি।
সম্প্রতি নেপাল ও চীনে ভয়াবহ হিমবাহ ও ভূমিধসে ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এশিয়ার আরেক দেশ জাপানে এই দুর্যোগের পূর্বাভাস বড় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
\

আপনার মতামত লিখুন