কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনার তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত প্রক্রিয়ায় হতাশা প্রকাশ করে তারা এ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে কুষ্টিয়া হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস, জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম, কুষ্টিয়া জেলা হাব ও মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।
নিহত
শিক্ষিকার পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত
তার বড় কন্যা তাইয়েবা,
পিতা এস. এম. আশিকুল
হক রুহুল ও মামা রফিকুল
ইসলাম পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
তারা
অভিযোগ করেন, ‘যে ব্যক্তি রুনাকে
হত্যা করেছে, তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হলেও পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পরিবারের সদস্যরা
অবাধে দেখা করছেন এবং
বাড়ি থেকে খাবার দিচ্ছেন।’
পরিবারের
দাবি, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জড়িত থাকতে পারেন।
কিন্তু পুলিশ সে বিষয়ে কোনো
গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে ক্ষোভ
প্রকাশ করেন তারা।
রুনার
বাবা বলেন, ‘‘দিন যত যাচ্ছে,
আমরা তত হতাশ হচ্ছি।
রুনা সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ছিল। তার চলে
যাওয়ায় চারটি শিশু সন্তান ও
পুরো পরিবার কীভাবে ভবিষ্যৎ চালাবে, তা নিয়ে আমরা
দুশ্চিন্তায় আছি।’’
মুক্তি
নারী ও শিশু উন্নয়ন
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ
আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা নিহত
শিক্ষিকার চার সন্তানের ভবিষ্যৎ
নিরাপত্তা ও লেখাপড়ার দায়িত্ব
নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি
আহ্বান জানান।
বক্তারা
বলেন, একটি চিহ্নিত খুনির
দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে
আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা জন্মাবে না। দ্রুত নির্ভুল
তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সকলের বিচার
নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন
ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো
হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন
সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান লাকী, মানবাধিকার কর্মী সালমা সুলতানা, রফিকুল ইসলাম, এম. এ. কাইয়ুম,
আব্দুর রাজ্জাক ও ফেরদৌসি রুবি।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুক্তি নারী
ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার
প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জায়েদুল
হক মতিন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনার তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত প্রক্রিয়ায় হতাশা প্রকাশ করে তারা এ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে কুষ্টিয়া হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস, জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম, কুষ্টিয়া জেলা হাব ও মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।
নিহত
শিক্ষিকার পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত
তার বড় কন্যা তাইয়েবা,
পিতা এস. এম. আশিকুল
হক রুহুল ও মামা রফিকুল
ইসলাম পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
তারা
অভিযোগ করেন, ‘যে ব্যক্তি রুনাকে
হত্যা করেছে, তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হলেও পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পরিবারের সদস্যরা
অবাধে দেখা করছেন এবং
বাড়ি থেকে খাবার দিচ্ছেন।’
পরিবারের
দাবি, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জড়িত থাকতে পারেন।
কিন্তু পুলিশ সে বিষয়ে কোনো
গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে ক্ষোভ
প্রকাশ করেন তারা।
রুনার
বাবা বলেন, ‘‘দিন যত যাচ্ছে,
আমরা তত হতাশ হচ্ছি।
রুনা সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ছিল। তার চলে
যাওয়ায় চারটি শিশু সন্তান ও
পুরো পরিবার কীভাবে ভবিষ্যৎ চালাবে, তা নিয়ে আমরা
দুশ্চিন্তায় আছি।’’
মুক্তি
নারী ও শিশু উন্নয়ন
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ
আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা নিহত
শিক্ষিকার চার সন্তানের ভবিষ্যৎ
নিরাপত্তা ও লেখাপড়ার দায়িত্ব
নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি
আহ্বান জানান।
বক্তারা
বলেন, একটি চিহ্নিত খুনির
দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে
আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা জন্মাবে না। দ্রুত নির্ভুল
তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সকলের বিচার
নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন
ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো
হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন
সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান লাকী, মানবাধিকার কর্মী সালমা সুলতানা, রফিকুল ইসলাম, এম. এ. কাইয়ুম,
আব্দুর রাজ্জাক ও ফেরদৌসি রুবি।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুক্তি নারী
ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার
প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর জায়েদুল
হক মতিন।

আপনার মতামত লিখুন