ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার মামলায় পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার
দুপুরে শুনানির নির্ধারিত দিনে ঢাকা মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা
এই আদেশ প্রদান করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ মামলার গুরুত্ব তুলে ধরলে আদালত
চার্জশিটে থাকা ২৮ আসামির
মধ্যে পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে
এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের
নির্দেশ দেন।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সব আসামিদের গ্রেপ্তার
করে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মামলার
নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে
জানা যায়, গত বছরের
সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ফজলুল হক মুসলিম হলে
চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেনকে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে
অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
কয়েক
দফায় খাবার খাইয়ে আবারও মারধরের সেই নিষ্ঠুর ঘটনা
দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলো। পরে
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার
করা হলে চিকিৎসকরা তাকে
মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার
পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ
থেকে তদন্ত শেষে সম্পূরক চার্জশিট
দাখিল করা হয়। যেখানে
মোট ২৮ জনকে অভিযুক্ত
করা হয়েছে।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার মামলায় পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার
দুপুরে শুনানির নির্ধারিত দিনে ঢাকা মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা
এই আদেশ প্রদান করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ মামলার গুরুত্ব তুলে ধরলে আদালত
চার্জশিটে থাকা ২৮ আসামির
মধ্যে পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে
এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের
নির্দেশ দেন।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সব আসামিদের গ্রেপ্তার
করে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মামলার
নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে
জানা যায়, গত বছরের
সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ফজলুল হক মুসলিম হলে
চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেনকে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে
অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
কয়েক
দফায় খাবার খাইয়ে আবারও মারধরের সেই নিষ্ঠুর ঘটনা
দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলো। পরে
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার
করা হলে চিকিৎসকরা তাকে
মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার
পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ
থেকে তদন্ত শেষে সম্পূরক চার্জশিট
দাখিল করা হয়। যেখানে
মোট ২৮ জনকে অভিযুক্ত
করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন