চাঁদপুরে জাতীয় যুবশক্তির এক কেন্দ্রীয় নেতাকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ এবং পরবর্তীতে থানায় মামলা দায়েরকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই ঘটনার জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে দায়ী করলেও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করে ‘সাধারণ জনগণের প্রতিরোধ’ বলে দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ও সন্ধ্যায় চাঁদপুর সদর মডেল থানা ও সংলগ্ন এলাকায় পৃথক এই ঘটনাগুলো ঘটে।
এনসিপি চাঁদপুর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে চাঁদপুর বড় স্টেশন এলাকা থেকে জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তানিমকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মুখ ও পা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সংগঠনটির দাবি, এই ঘটনার বিচার চেয়ে সন্ধ্যায় এনসিপি, ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির নেতাকর্মীরা চাঁদপুর সদর মডেল থানায় আইনি ব্যবস্থা নিতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নেয়।
অন্যদিকে, এনসিপির এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন চাঁদপুর পৌর ছাত্রদলের নেতা শিপন আহমেদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, এনসিপির নেতাকর্মীরা চাঁদপুর মডেল থানায় মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি করতে গিয়েছিল। তখন থানার পার্শ্ববর্তী এলাকার সাধারণ জনগণ তাদের প্রতিহত করে।
সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে তারা থানা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। শিপন আহমেদ তার ফেসবুক পেজে লিখেন, “চাঁদপুরের মাটিতে মববাজি নয়; সাধারণ জনগণের ঐক্য ও সচেতনতাই হোক অন্যায় ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তি।”
ঘটনার পরপরই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে চাঁদপুর সদর মডেল থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। থানার পেছনের দিকে পৌরসভার সংলগ্ন ফটকটি তালাবদ্ধ করে দিয়ে সেই পথে যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুরে জাতীয় যুবশক্তির এক কেন্দ্রীয় নেতাকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ এবং পরবর্তীতে থানায় মামলা দায়েরকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই ঘটনার জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে দায়ী করলেও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করে ‘সাধারণ জনগণের প্রতিরোধ’ বলে দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ও সন্ধ্যায় চাঁদপুর সদর মডেল থানা ও সংলগ্ন এলাকায় পৃথক এই ঘটনাগুলো ঘটে।
এনসিপি চাঁদপুর মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে চাঁদপুর বড় স্টেশন এলাকা থেকে জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তানিমকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মুখ ও পা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সংগঠনটির দাবি, এই ঘটনার বিচার চেয়ে সন্ধ্যায় এনসিপি, ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির নেতাকর্মীরা চাঁদপুর সদর মডেল থানায় আইনি ব্যবস্থা নিতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নেয়।
অন্যদিকে, এনসিপির এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন চাঁদপুর পৌর ছাত্রদলের নেতা শিপন আহমেদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, এনসিপির নেতাকর্মীরা চাঁদপুর মডেল থানায় মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি করতে গিয়েছিল। তখন থানার পার্শ্ববর্তী এলাকার সাধারণ জনগণ তাদের প্রতিহত করে।
সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে তারা থানা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। শিপন আহমেদ তার ফেসবুক পেজে লিখেন, “চাঁদপুরের মাটিতে মববাজি নয়; সাধারণ জনগণের ঐক্য ও সচেতনতাই হোক অন্যায় ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তি।”
ঘটনার পরপরই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে চাঁদপুর সদর মডেল থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। থানার পেছনের দিকে পৌরসভার সংলগ্ন ফটকটি তালাবদ্ধ করে দিয়ে সেই পথে যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন