আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩৩.৪ ওভারে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন দলটি।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দারুণ দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ২৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ১৫০ রানের কার্যকারী জুটি দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। টেলর ৮১ ও আরভিন ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৩টি এবং সাইফ হাসান ও শরিফুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
২৭২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন তানজিদ হাসান তামিম; ৩৮ বলে ৪৬ রান করে তিনি বিদায় নেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। সৌম্য সরকার ৯, নাজমুল হোসেন শান্ত ৪ ও অধিনায়ক হৃদয় মাত্র ১৩ রান করে আউট হন।
শেষের দিকে রিশাদ হোসেনের ২৩ ও তাসকিন আহমেদের অপরাজিত ১৬ রান কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। জিম্বাবুয়ের পেসার ব্র্যাড ইভান্স সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন।
/

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩৩.৪ ওভারে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন দলটি।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দারুণ দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ২৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ১৫০ রানের কার্যকারী জুটি দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। টেলর ৮১ ও আরভিন ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৩টি এবং সাইফ হাসান ও শরিফুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
২৭২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন তানজিদ হাসান তামিম; ৩৮ বলে ৪৬ রান করে তিনি বিদায় নেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। সৌম্য সরকার ৯, নাজমুল হোসেন শান্ত ৪ ও অধিনায়ক হৃদয় মাত্র ১৩ রান করে আউট হন।
শেষের দিকে রিশাদ হোসেনের ২৩ ও তাসকিন আহমেদের অপরাজিত ১৬ রান কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। জিম্বাবুয়ের পেসার ব্র্যাড ইভান্স সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন।
/

আপনার মতামত লিখুন