শরতের আলো-আঁধারির খেলায় ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গোৎসব আজ ২১ অক্টোবর দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে। উৎসবের সমাপনী দিনে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে এখন একটাই অনুভূতি–‘এমন আনন্দের পূজা সাম্প্রতিক সময়ে আর হয়নি।’
বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, পূজার দিনগুলোতে বৃষ্টির কারণে আনন্দ উদ্যাপনে ভাটা পড়ত। তবে এবার নীল আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও আবহাওয়া ছিল একদম নির্মল ও অনুকূল। ফলে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পলাশে এবার গত বছরের চেয়ে ৫টি বেড়ে মোট ৪৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রীতি, কড়া নিরাপত্তা ও চমৎকার আবহাওয়ার সম্মিলনে এবার মণ্ডপগুলোতে বাড়তি আনন্দ বিরাজ করেছে। ঘোড়াশালের বাসিন্দা আনন্দ দেবনাথ বলেন, 'অনেক দিন পর এবার সত্যি মন ভরে পূজা কাটাতে পারলাম।' আর ডাঙ্গা এলাকার হৃদয় ঘোষ জানান, বিগত যেকোনো বছরের চেয়ে এবার অভূতপূর্ব আনন্দ করেছেন তারা।
উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দেয় পলাশ বাজার মণ্ডপে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের আগমন। তার আন্তরিক বক্তব্য ও উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হন স্থানীয়রা। এ ছাড়া সংবাদ সম্পাদক আলতামাস কবিরও মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পলাশ শাখার সভাপতি কুমুদ রঞ্জন দেবনাথ বলেন, 'প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বেচ্ছাসেবক এবং বৈরী পরিবেশ না থাকায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে এবার পূজা সম্পন্ন হয়েছে।'
পলাশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসিত দাস ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত জানান, প্রতিটি মণ্ডপে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রাখা হয়েছিল। সরকারি অনুদানও পৌঁছে দেওয়া হয় সময়মতো। সব মিলিয়ে নিখুঁত ও আনন্দময় এক দুর্গোৎসব উপভোগ করেছেন পলাশের সনাতনীরা।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
শরতের আলো-আঁধারির খেলায় ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গোৎসব আজ ২১ অক্টোবর দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে। উৎসবের সমাপনী দিনে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে এখন একটাই অনুভূতি–‘এমন আনন্দের পূজা সাম্প্রতিক সময়ে আর হয়নি।’
বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, পূজার দিনগুলোতে বৃষ্টির কারণে আনন্দ উদ্যাপনে ভাটা পড়ত। তবে এবার নীল আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও আবহাওয়া ছিল একদম নির্মল ও অনুকূল। ফলে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পলাশে এবার গত বছরের চেয়ে ৫টি বেড়ে মোট ৪৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রীতি, কড়া নিরাপত্তা ও চমৎকার আবহাওয়ার সম্মিলনে এবার মণ্ডপগুলোতে বাড়তি আনন্দ বিরাজ করেছে। ঘোড়াশালের বাসিন্দা আনন্দ দেবনাথ বলেন, 'অনেক দিন পর এবার সত্যি মন ভরে পূজা কাটাতে পারলাম।' আর ডাঙ্গা এলাকার হৃদয় ঘোষ জানান, বিগত যেকোনো বছরের চেয়ে এবার অভূতপূর্ব আনন্দ করেছেন তারা।
উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দেয় পলাশ বাজার মণ্ডপে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের আগমন। তার আন্তরিক বক্তব্য ও উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হন স্থানীয়রা। এ ছাড়া সংবাদ সম্পাদক আলতামাস কবিরও মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পলাশ শাখার সভাপতি কুমুদ রঞ্জন দেবনাথ বলেন, 'প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বেচ্ছাসেবক এবং বৈরী পরিবেশ না থাকায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে এবার পূজা সম্পন্ন হয়েছে।'
পলাশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসিত দাস ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত জানান, প্রতিটি মণ্ডপে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রাখা হয়েছিল। সরকারি অনুদানও পৌঁছে দেওয়া হয় সময়মতো। সব মিলিয়ে নিখুঁত ও আনন্দময় এক দুর্গোৎসব উপভোগ করেছেন পলাশের সনাতনীরা।

আপনার মতামত লিখুন