শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একটি আবাসিক হোটেল থেকে আবুল বাশার (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ভেদরগঞ্জ থানা-সংলগ্ন ‘ঢাকা আবাসিক হোটেল’-এর একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবুল বাশার গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় খোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত রোববার শরীয়তপুরে বেড়াতে আসার পর থেকেই আবুল বাশারের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে স্বজনদের কাছে ফোন করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। শুধু তাই নয়, যোগাযোগের একপর্যায়ে তার একটি রক্তাক্ত ছবিও স্বজনদের মোবাইলে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ করেন নিহতের পরিবার।
ভেদরগঞ্জ থানা-পুলিশ জানায়, হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে দুপুরে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে শিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, কিংবা এর পেছনে কারা জড়িত তা উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একটি আবাসিক হোটেল থেকে আবুল বাশার (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ভেদরগঞ্জ থানা-সংলগ্ন ‘ঢাকা আবাসিক হোটেল’-এর একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবুল বাশার গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় খোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত রোববার শরীয়তপুরে বেড়াতে আসার পর থেকেই আবুল বাশারের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে স্বজনদের কাছে ফোন করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। শুধু তাই নয়, যোগাযোগের একপর্যায়ে তার একটি রক্তাক্ত ছবিও স্বজনদের মোবাইলে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ করেন নিহতের পরিবার।
ভেদরগঞ্জ থানা-পুলিশ জানায়, হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে দুপুরে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে শিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, কিংবা এর পেছনে কারা জড়িত তা উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন