পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকরা ভ্রমণে যেতে পারবেন। তবে পরিবেশ সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে পর্যটক যাতায়াতে বেশকিছু কড়া নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরিনা রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিরেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচল করতে পারবে না।
আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যাতায়াত করতে পারবেন। নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজসমূহ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন। এর অধিক পর্যটক যাওয়ার সুযোগ নেই।
দ্বীপে যাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ পর্যটকদের প্রতি জন ১০০ টাকা করে দিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিসি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬-এর বিধি-২৬ অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের সব নির্দেশনাসমূহ যথারীতি বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকরা ভ্রমণে যেতে পারবেন। তবে পরিবেশ সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে পর্যটক যাতায়াতে বেশকিছু কড়া নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরিনা রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিরেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচল করতে পারবে না।
আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যাতায়াত করতে পারবেন। নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজসমূহ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন। এর অধিক পর্যটক যাওয়ার সুযোগ নেই।
দ্বীপে যাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ পর্যটকদের প্রতি জন ১০০ টাকা করে দিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিসি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬-এর বিধি-২৬ অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের সব নির্দেশনাসমূহ যথারীতি বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

আপনার মতামত লিখুন