রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার কল্যাণপুরে এখন সুনসান নীরবতা। চিরচেনা বাসের হর্ন আর যাত্রীদের কোলাহল নেই। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আলটিমেটামের মুখে গত দুই দিন ধরে কল্যাণপুর এলাকার সব দূরপাল্লার বাস কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে।
ঢাকার
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ডিএমপির দেওয়া সাত দিনের সময়সীমা
শেষ হওয়ার পর থেকেই এই
অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে
কল্যাণপুর থেকে দেশের বিভিন্ন
গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো
গাবতলী টার্মিনাল ও টেকনিক্যাল এলাকা
থেকে যাত্রী তুলছে।
বুধবার
সরেজমিনে কল্যাণপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়,
সারিবদ্ধ কাউন্টারগুলোর সাটার নামানো। অধিকাংশ কাউন্টারের সামনে ঝোলানো হয়েছে সাময়িক বন্ধের নোটিশ। অনেক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
নোটিশে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ
করে যোগাযোগের নম্বর দিয়েছেন এবং গাবতলী বা
টেকনিক্যাল থেকে টিকিট সংগ্রহের
অনুরোধ জানিয়েছেন।
কাউন্টার
বন্ধ থাকলেও আশপাশে অলস সময় পার
করছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তারা জানিয়েছেন, বুধবার
মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক
পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
হওয়ার কথা রয়েছে। সেই
বৈঠকেই নির্ধারিত হবে কল্যাণপুরে কাউন্টারগুলো
আর আদৌ থাকবে কি
না।
এক সুপারভাইজার বলেন, "কল্যাণপুর কাউন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এখন
যাত্রীদের গাবতলী থেকে টিকিট নিতে
হচ্ছে।"
এর আগে গত ৫
এপ্রিল ডিএমপির এক নির্দেশনায় ঢাকার
ভেতর থেকে সব অনুমোদনহীন
আন্তঃজেলা বাস কাউন্টার অপসারণের
জন্য সাত দিনের সময়
বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নেই
মূলত কল্যাণপুরের পরিবহন সেবায় এই পরিবর্তন আনা
হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার কল্যাণপুরে এখন সুনসান নীরবতা। চিরচেনা বাসের হর্ন আর যাত্রীদের কোলাহল নেই। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আলটিমেটামের মুখে গত দুই দিন ধরে কল্যাণপুর এলাকার সব দূরপাল্লার বাস কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে।
ঢাকার
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ডিএমপির দেওয়া সাত দিনের সময়সীমা
শেষ হওয়ার পর থেকেই এই
অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে
কল্যাণপুর থেকে দেশের বিভিন্ন
গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো
গাবতলী টার্মিনাল ও টেকনিক্যাল এলাকা
থেকে যাত্রী তুলছে।
বুধবার
সরেজমিনে কল্যাণপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়,
সারিবদ্ধ কাউন্টারগুলোর সাটার নামানো। অধিকাংশ কাউন্টারের সামনে ঝোলানো হয়েছে সাময়িক বন্ধের নোটিশ। অনেক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
নোটিশে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ
করে যোগাযোগের নম্বর দিয়েছেন এবং গাবতলী বা
টেকনিক্যাল থেকে টিকিট সংগ্রহের
অনুরোধ জানিয়েছেন।
কাউন্টার
বন্ধ থাকলেও আশপাশে অলস সময় পার
করছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তারা জানিয়েছেন, বুধবার
মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক
পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
হওয়ার কথা রয়েছে। সেই
বৈঠকেই নির্ধারিত হবে কল্যাণপুরে কাউন্টারগুলো
আর আদৌ থাকবে কি
না।
এক সুপারভাইজার বলেন, "কল্যাণপুর কাউন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এখন
যাত্রীদের গাবতলী থেকে টিকিট নিতে
হচ্ছে।"
এর আগে গত ৫
এপ্রিল ডিএমপির এক নির্দেশনায় ঢাকার
ভেতর থেকে সব অনুমোদনহীন
আন্তঃজেলা বাস কাউন্টার অপসারণের
জন্য সাত দিনের সময়
বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নেই
মূলত কল্যাণপুরের পরিবহন সেবায় এই পরিবর্তন আনা
হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন