আসন্ন ঈদ-উল-আযহার আগে ঢাকা শহর থেকে হকার উচ্ছেদ না করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন। কোনো ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না বলে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
হকার্স ইউনিয়নের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ারের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়।
সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল হাশিম কবীর জানান, তারা কমিশনারের কাছে তাদের আক্ষেপ ও দুঃখের কথা জানিয়েছেন। কমিশনার তাদের কষ্ট বুঝেছেন এবং হকার ও পথচারী উভয়ের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্মারকলিপিতে হকার্স ইউনিয়ন উল্লেখ করে, গত দুই সপ্তাহ ধরে হকার উচ্ছেদ, ভাঙচুর, মালামাল নষ্ট ও আটকের ঘটনা ঘটছে। ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে সাধারণ হকাররা ঋণ করে মালামাল তুলেছেন। এ অবস্থায় পুনর্বাসনের কোনো পরিকল্পনা ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকলে হকারদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে বলে সতর্ক করা হয় স্মারকলিপিতে।
দেশের অর্থনীতিতে হকারদের অবদানের কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, হকারি পেশার এখনো কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ‘প্রকৃত হকারদের’ তালিকা তৈরি, পুনর্বাসন ও জীবিকা সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন হকাররা।
নতুন সরকারের কাছে হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশাও তুলে ধরা হয় স্মারকলিপিতে। একইসঙ্গে সড়ক উন্মুক্ত রেখে ফুটপাতের নির্ধারিত অংশে শৃঙ্খলার সঙ্গে হকারি করার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
আসন্ন ঈদ-উল-আযহার আগে ঢাকা শহর থেকে হকার উচ্ছেদ না করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন। কোনো ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না বলে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
হকার্স ইউনিয়নের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ারের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেয়।
সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল হাশিম কবীর জানান, তারা কমিশনারের কাছে তাদের আক্ষেপ ও দুঃখের কথা জানিয়েছেন। কমিশনার তাদের কষ্ট বুঝেছেন এবং হকার ও পথচারী উভয়ের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্মারকলিপিতে হকার্স ইউনিয়ন উল্লেখ করে, গত দুই সপ্তাহ ধরে হকার উচ্ছেদ, ভাঙচুর, মালামাল নষ্ট ও আটকের ঘটনা ঘটছে। ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে সাধারণ হকাররা ঋণ করে মালামাল তুলেছেন। এ অবস্থায় পুনর্বাসনের কোনো পরিকল্পনা ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকলে হকারদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে বলে সতর্ক করা হয় স্মারকলিপিতে।
দেশের অর্থনীতিতে হকারদের অবদানের কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, হকারি পেশার এখনো কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ‘প্রকৃত হকারদের’ তালিকা তৈরি, পুনর্বাসন ও জীবিকা সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন হকাররা।
নতুন সরকারের কাছে হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশাও তুলে ধরা হয় স্মারকলিপিতে। একইসঙ্গে সড়ক উন্মুক্ত রেখে ফুটপাতের নির্ধারিত অংশে শৃঙ্খলার সঙ্গে হকারি করার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন।

আপনার মতামত লিখুন