মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় গোসল করতে গিয়ে ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত অধির মনিদাসকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২ জুন) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অধির মনিদাস উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ঋষিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত রাজেন্দ্র মণি দাসের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায়। সে সময় মেয়েটি মাথায় শ্যাম্পু করার সময় তাকে একা পেয়ে একই গ্রামের অধির মনিদাস জাপটে ধরেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির চিৎকার ও ধস্তাধস্তিতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ জুন) ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ সক্রিয় হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছে।
তবে আদালতে নেওয়ার সময় অভিযুক্ত অধির মনিদাস তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাকে এই মামলায় ফাঁসিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তদন্তে তা বেরিয়ে আসবে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় গোসল করতে গিয়ে ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত অধির মনিদাসকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২ জুন) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অধির মনিদাস উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের ঋষিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত রাজেন্দ্র মণি দাসের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায়। সে সময় মেয়েটি মাথায় শ্যাম্পু করার সময় তাকে একা পেয়ে একই গ্রামের অধির মনিদাস জাপটে ধরেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির চিৎকার ও ধস্তাধস্তিতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ জুন) ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ সক্রিয় হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছে।
তবে আদালতে নেওয়ার সময় অভিযুক্ত অধির মনিদাস তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাকে এই মামলায় ফাঁসিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তদন্তে তা বেরিয়ে আসবে। ভুক্তভোগী পরিবারটি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন