সংবাদ

খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ২ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
মহেশপুর থানা। ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় এক সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে (২২) চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করার পর অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ওই গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ঈদ উপলক্ষে গত ৩১ মে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওই দিন দিবাগত রাতে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে স্থানীয় ডালিম (২৫) ও তার সহযোগীরা ওই পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেন। পরিবারের সদস্যরা অচেতন হয়ে পড়লে তারা ওই নারীকে অপহরণ করে নিয়ে যান এবং সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।

পরদিন সকালে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, “আমার মেয়ের ওপর যারা এই পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি থানায় মামলা করেছি এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”

মহেশপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। একজনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ডালিমসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় এক সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে (২২) চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করার পর অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ওই গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী ঈদ উপলক্ষে গত ৩১ মে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওই দিন দিবাগত রাতে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে স্থানীয় ডালিম (২৫) ও তার সহযোগীরা ওই পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেন। পরিবারের সদস্যরা অচেতন হয়ে পড়লে তারা ওই নারীকে অপহরণ করে নিয়ে যান এবং সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।

পরদিন সকালে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, “আমার মেয়ের ওপর যারা এই পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি থানায় মামলা করেছি এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”

মহেশপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। একজনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ডালিমসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত