শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি আদায় ও অধিকার আদায়ের জন্য আর রাজপথে নেমে আন্দোলন করার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভুক্ত খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের জন্য সরকার ইতিমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
রোববার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অতীতের মতো শিক্ষকদের দাবি আদায়ের জন্য রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে রাজপথে অবস্থান নেওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এবং শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল স্তরের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমস্যার সমাধান করা হবে।
সরকারের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে শিক্ষা অঙ্গনে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং পাঠদান প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি আদায় ও অধিকার আদায়ের জন্য আর রাজপথে নেমে আন্দোলন করার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভুক্ত খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের জন্য সরকার ইতিমধ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
রোববার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অতীতের মতো শিক্ষকদের দাবি আদায়ের জন্য রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে রাজপথে অবস্থান নেওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এবং শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল স্তরের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমস্যার সমাধান করা হবে।
সরকারের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে শিক্ষা অঙ্গনে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং পাঠদান প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন