সংবাদ

৯২ ঘণ্টা অন্ধকারে লালমনিরহাটের ৫০ হাজার মানুষ


প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

৯২ ঘণ্টা অন্ধকারে লালমনিরহাটের ৫০ হাজার মানুষ
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে দীর্ঘ ৪ দিন বিদ্যুৎহীন থাকায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ। ছবি : সংবাদ

লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক গত চার দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। গত সোমবার বয়ে যাওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে পল্লী বিদ্যুতের একটি প্রধান পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ৫০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) বজ্রপাতে আদিতমারী-২ (হাজীগঞ্জ) সাব-স্টেশনের ১০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রধান ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। এর ফলে আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পর্যন্ত প্রায় ৯২ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ওই এলাকাগুলোতে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। সেচ দিতে না পারায় কৃষিজমি শুকিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিদ্যুৎহীনতায় থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য; ফ্রিজে রাখা সংরক্ষিত খাবার ও মালামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। চরম ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও।

আদিতমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মুহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহ বলেন, ‘বজ্রপাতে ১০ এমভিএ ট্রান্সফরমারটি বিকল হওয়ায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে এবং সেটি প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে যাতে জনদুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬


৯২ ঘণ্টা অন্ধকারে লালমনিরহাটের ৫০ হাজার মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক গত চার দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। গত সোমবার বয়ে যাওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে পল্লী বিদ্যুতের একটি প্রধান পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ৫০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) বজ্রপাতে আদিতমারী-২ (হাজীগঞ্জ) সাব-স্টেশনের ১০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রধান ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। এর ফলে আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পর্যন্ত প্রায় ৯২ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ওই এলাকাগুলোতে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। সেচ দিতে না পারায় কৃষিজমি শুকিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিদ্যুৎহীনতায় থমকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য; ফ্রিজে রাখা সংরক্ষিত খাবার ও মালামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। চরম ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও।

আদিতমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মুহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহ বলেন, ‘বজ্রপাতে ১০ এমভিএ ট্রান্সফরমারটি বিকল হওয়ায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে এবং সেটি প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’

আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে যাতে জনদুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত