সংবাদ

মনু ও ধলই নদীর ভাঙনে ৪ জনপদ প্লাবিত


প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

মনু ও ধলই নদীর ভাঙনে ৪ জনপদ প্লাবিত
বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকছে বন্যার পানি। ছবি : সংবাদ

মৌলভীবাজারের মনু নদ ও ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ৪টি স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় জেলার ৩টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মনু নদের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে জনপদ ও রাস্তাঘাট; পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে ধলাই নদীর মোকাবিল এলাকায় এবং মনু নদের রাজনগর উপজেলার উজিরপুর ও আকুয়া এবং কুলাউড়া উপজেলার শিকড়িয়া এলাকায় বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টায় মনু নদের পানি কুলাউড়া রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে ধলাই নদীর পানি কিছুটা কমে বিপদসীমার ১৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ সকাল থেকে জেলায় থেমে থেমে হালকা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পুনরায় পানি বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কমলগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রামের ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় অনেক পরিবার গত রাতে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, রাজনগরের হরিপাশা ও উজিরপুর এলাকায় বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে বালুভর্তি বস্তা ফেলে পানি আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬


মনু ও ধলই নদীর ভাঙনে ৪ জনপদ প্লাবিত

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের মনু নদ ও ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ৪টি স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় জেলার ৩টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মনু নদের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে জনপদ ও রাস্তাঘাট; পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে ধলাই নদীর মোকাবিল এলাকায় এবং মনু নদের রাজনগর উপজেলার উজিরপুর ও আকুয়া এবং কুলাউড়া উপজেলার শিকড়িয়া এলাকায় বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টায় মনু নদের পানি কুলাউড়া রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং চাঁদনীঘাট পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে ধলাই নদীর পানি কিছুটা কমে বিপদসীমার ১৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ সকাল থেকে জেলায় থেমে থেমে হালকা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পুনরায় পানি বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কমলগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রামের ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় অনেক পরিবার গত রাতে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, রাজনগরের হরিপাশা ও উজিরপুর এলাকায় বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে বালুভর্তি বস্তা ফেলে পানি আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত