মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ১৩ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি ড্রেজার ও তিনটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে শিবচর থানার চর-জানাজাত সংলগ্ন এলাকায় এ যৌথ অভিযান চালানো হয়।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আজ বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড কম্পোজিট স্টেশন পদ্মা এবং নৌ পুলিশ সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, নদী তীরবর্তী মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর নৌসীমানা সংলগ্ন শরীয়তপুরের নড়িয়া ও চন্ডিপুর এবং মাদারীপুর অংশে পদ্মা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথের যাত্রীরা জানান, মেঘনা ও পদ্মা নদীর সংযোগস্থলে প্রতিনিয়ত শত শত বালুবাহী জাহাজ ও অগণিত ড্রেজার অবস্থান করছে। তবে এই বালু উত্তোলনের কোনো বৈধতা আছে কি না, তা সাধারণ মানুষের কাছে অস্পষ্ট। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
/

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ১৩ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি ড্রেজার ও তিনটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোরে শিবচর থানার চর-জানাজাত সংলগ্ন এলাকায় এ যৌথ অভিযান চালানো হয়।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আজ বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড কম্পোজিট স্টেশন পদ্মা এবং নৌ পুলিশ সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, নদী তীরবর্তী মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর নৌসীমানা সংলগ্ন শরীয়তপুরের নড়িয়া ও চন্ডিপুর এবং মাদারীপুর অংশে পদ্মা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথের যাত্রীরা জানান, মেঘনা ও পদ্মা নদীর সংযোগস্থলে প্রতিনিয়ত শত শত বালুবাহী জাহাজ ও অগণিত ড্রেজার অবস্থান করছে। তবে এই বালু উত্তোলনের কোনো বৈধতা আছে কি না, তা সাধারণ মানুষের কাছে অস্পষ্ট। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন