প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নতুন বাজেটে প্রকল্পটির জন্য কোনো বরাদ্দ না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগামীকাল শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিভাগীয় সমাবেশের ডাক দিয়েছে জোটটি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে রংপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী রংপুরে এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রকল্পটির জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে রংপুর অঞ্চলের মানুষ হতাশ হয়েছেন।'
তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে কাল শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় মহাসমাবেশ।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে রংপুরে এসে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে জনসমর্থন কামনা করেন। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকার গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি। সাধারণ মানুষ হতাশ।'
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ফেলানী হত্যাসহ সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি ভারতীয় আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং অবৈধ পুশ-ইন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।
শনিবারের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
সমাবেশ সফল করতে ১১ দল ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ শেষ করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলা থেকে কয়েক লাখ নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে আয়োজকদের জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নতুন বাজেটে প্রকল্পটির জন্য কোনো বরাদ্দ না রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগামীকাল শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিভাগীয় সমাবেশের ডাক দিয়েছে জোটটি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে রংপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী রংপুরে এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রকল্পটির জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে রংপুর অঞ্চলের মানুষ হতাশ হয়েছেন।'
তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে কাল শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় মহাসমাবেশ।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে রংপুরে এসে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে জনসমর্থন কামনা করেন। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকার গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি। সাধারণ মানুষ হতাশ।'
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ফেলানী হত্যাসহ সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি ভারতীয় আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং অবৈধ পুশ-ইন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।
শনিবারের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
সমাবেশ সফল করতে ১১ দল ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ শেষ করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলা থেকে কয়েক লাখ নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে আয়োজকদের জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন