সংবাদ

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না!


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, মাদারীপুর
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, মাদারীপুর
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না!
পালানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ধরা পড়লেন হাসিনা বেগম।। ছবি : সংবাদ

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার বাসিন্দা এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানার ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মূল থানা ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় ওসির বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলছে। সেখানে কোনো হাজতখানা না থাকায় হাসিনাকে বারান্দার একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল। রাত দেড়টার দিকে ওই কক্ষের জানালার গ্রিল ভেঙে তিনি পালিয়ে যান।

আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। কমিটিকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অস্থায়ী থানা ভবনের জানালা ভেঙে পালিয়ে যাওয়া হাসিনাকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আমরা পুনরায় গ্রেপ্তার করেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না!

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার বাসিন্দা এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানার ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মূল থানা ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় ওসির বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলছে। সেখানে কোনো হাজতখানা না থাকায় হাসিনাকে বারান্দার একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল। রাত দেড়টার দিকে ওই কক্ষের জানালার গ্রিল ভেঙে তিনি পালিয়ে যান।

আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। কমিটিকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অস্থায়ী থানা ভবনের জানালা ভেঙে পালিয়ে যাওয়া হাসিনাকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আমরা পুনরায় গ্রেপ্তার করেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত