সংবাদ

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ৬ জনের মৃত্যু


সোহেল কান্তি নাথ, বান্দরবান
সোহেল কান্তি নাথ, বান্দরবান
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ এএম

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ৬ জনের মৃত্যু
চাচারদিকে শুধু পানি আর পানি; বান্দরবান যেন এখন এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়েছে। ছবি : সংবাদ

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। জেলা শহরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জেলায় পাহাড়ধসে ৫ জন এবং পানিতে ভেসে গিয়ে এক শিশুসহ মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সারারাতের অব্যাহত  বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বান্দরবান-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যাওয়ায় সারাদেশের সঙ্গে জেলাটির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসের কারণে মাটি ও গাছ উপড়ে পড়ে রুমা, থানচি, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ অভ্যন্তরীণ উপজেলাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। 

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। প্লাবিত এলাকার বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ ও খাদ্যসংকটে ভুগছেন। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে কাজ করছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক ও এনজিও সংস্থা।

বান্দরবান পৌর প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক জানান, বন্যাকবলিত ও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। জেলা শহরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জেলায় পাহাড়ধসে ৫ জন এবং পানিতে ভেসে গিয়ে এক শিশুসহ মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সারারাতের অব্যাহত  বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বান্দরবান-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে যাওয়ায় সারাদেশের সঙ্গে জেলাটির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসের কারণে মাটি ও গাছ উপড়ে পড়ে রুমা, থানচি, আলীকদম, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ অভ্যন্তরীণ উপজেলাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। 

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। প্লাবিত এলাকার বাসিন্দারা বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ ও খাদ্যসংকটে ভুগছেন। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে কাজ করছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক ও এনজিও সংস্থা।

বান্দরবান পৌর প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক জানান, বন্যাকবলিত ও আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত