সংবাদ

এক টুকরা ঘাসের দাম ৫৫ হাজার টাকা!


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

এক টুকরা ঘাসের দাম ৫৫ হাজার টাকা!
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল মানেই কোটি কোটি দর্শকের উন্মাদনা আর ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের এক টুকরো অংশ এবার নিজের ড্রয়িংরুমে রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল যে মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, সেই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ঘাস বিশেষ স্মারক হিসেবে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে তারা।

আগামী ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গড়াবে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। ফিফার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই মাঠের ঘাস সতেজ রাখতে বিশেষ রেজিনের স্বচ্ছ আবরণে আটকে দেওয়া হয়েছে। একেকটি ছোট টুকরোর দাম ধরা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৫ হাজার টাকার বেশি। তবে আগ্রহী ক্রেতারা এই স্মারক হাতে পাবেন ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়ার পর। আপাতত শুধু যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের ক্রেতারা এই ঘাস কিনতে পারবেন।

অ্যাক্রিলিকের তৈরি এই বিশেষ আবরণের ওপর খোদাই করা থাকবে ২০২৬ বিশ্বকাপের লোগো, ভেন্যুর নাম, তারিখ এবং ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল। সঙ্গে থাকবে একটি ইউএসবি ড্রাইভ, যা ঘাসটির আসল হওয়ার প্রমাণপত্র হিসেবে কাজ করবে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কিপ স্টাব’ এই স্মারকগুলো তৈরি করছে। তাদের ওয়েবসাইটে ৪৫০ ডলারের সংস্করণ ছাড়াও আরও তিনটি ভিন্ন সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে, যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৯০০, ১২০০ ও ৩০০০ মার্কিন ডলার। প্রতিটি সংস্করণের জন্য মাত্র ২০২৬টি টুকরো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সবগুলো স্মারক বিক্রি হলে এ খাত থেকে ফিফার আয় হবে ১ কোটি ১২ লাখ ডলারের বেশি।

দামের ওপর ভিত্তি করে বদলে যাবে স্মারকের আকার ও উপহারের তালিকা। ৩০০০ ডলার বা প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ‘হিরো এডিশন’-এ ৩ ইঞ্চি আকারের ঘাসের টুকরোর সঙ্গে মিলবে সোনা দিয়ে খোদাই করা একটি ধাতব টিকিট, ফাইনাল ম্যাচের বলের মিনি রেপ্লিকা এবং ক্রিস্টাল কাচের তৈরি বিশ্বকাপ ট্রফি।

অবশ্য যে মাঠের ঘাস নিয়ে এত তোড়জোড়, সেই মাঠের মান নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। গত মাসে দ্য অ্যাথলেটিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর ক্যারোলাইনা থেকে ঘাস এনে মে মাসে এই মাঠে বসানো হয়েছিল। তবে আগের ম্যাচগুলো খেলার পর ব্রাজিল ও ফ্রান্সের খেলোয়াড়েরা মাঠটিকে বেশ শুষ্ক বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


এক টুকরা ঘাসের দাম ৫৫ হাজার টাকা!

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল মানেই কোটি কোটি দর্শকের উন্মাদনা আর ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের এক টুকরো অংশ এবার নিজের ড্রয়িংরুমে রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল যে মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, সেই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ঘাস বিশেষ স্মারক হিসেবে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে তারা।

আগামী ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গড়াবে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। ফিফার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই মাঠের ঘাস সতেজ রাখতে বিশেষ রেজিনের স্বচ্ছ আবরণে আটকে দেওয়া হয়েছে। একেকটি ছোট টুকরোর দাম ধরা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৫ হাজার টাকার বেশি। তবে আগ্রহী ক্রেতারা এই স্মারক হাতে পাবেন ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়ার পর। আপাতত শুধু যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের ক্রেতারা এই ঘাস কিনতে পারবেন।

অ্যাক্রিলিকের তৈরি এই বিশেষ আবরণের ওপর খোদাই করা থাকবে ২০২৬ বিশ্বকাপের লোগো, ভেন্যুর নাম, তারিখ এবং ফাইনাল ম্যাচের ফলাফল। সঙ্গে থাকবে একটি ইউএসবি ড্রাইভ, যা ঘাসটির আসল হওয়ার প্রমাণপত্র হিসেবে কাজ করবে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কিপ স্টাব’ এই স্মারকগুলো তৈরি করছে। তাদের ওয়েবসাইটে ৪৫০ ডলারের সংস্করণ ছাড়াও আরও তিনটি ভিন্ন সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে, যেগুলোর দাম যথাক্রমে ৯০০, ১২০০ ও ৩০০০ মার্কিন ডলার। প্রতিটি সংস্করণের জন্য মাত্র ২০২৬টি টুকরো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সবগুলো স্মারক বিক্রি হলে এ খাত থেকে ফিফার আয় হবে ১ কোটি ১২ লাখ ডলারের বেশি।

দামের ওপর ভিত্তি করে বদলে যাবে স্মারকের আকার ও উপহারের তালিকা। ৩০০০ ডলার বা প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ‘হিরো এডিশন’-এ ৩ ইঞ্চি আকারের ঘাসের টুকরোর সঙ্গে মিলবে সোনা দিয়ে খোদাই করা একটি ধাতব টিকিট, ফাইনাল ম্যাচের বলের মিনি রেপ্লিকা এবং ক্রিস্টাল কাচের তৈরি বিশ্বকাপ ট্রফি।

অবশ্য যে মাঠের ঘাস নিয়ে এত তোড়জোড়, সেই মাঠের মান নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। গত মাসে দ্য অ্যাথলেটিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর ক্যারোলাইনা থেকে ঘাস এনে মে মাসে এই মাঠে বসানো হয়েছিল। তবে আগের ম্যাচগুলো খেলার পর ব্রাজিল ও ফ্রান্সের খেলোয়াড়েরা মাঠটিকে বেশ শুষ্ক বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত