সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ছবি : সংবাদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে (১০) গলা কেটে হত্যার দায়ে আবুল হোসেন ওরফে ফটিক (২৯) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আবুল হোসেন জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার পর তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের মেয়ে মরিয়ম তার ছোট বোন ও সঙ্গীদের নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। সেখানে আবুল হোসেন মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় পর তিনি একা ফিরে আসেন। স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা মাঠে গিয়ে মরিয়মের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আসামির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন। এর আগে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে (১০) গলা কেটে হত্যার দায়ে আবুল হোসেন ওরফে ফটিক (২৯) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগীর আলম জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আবুল হোসেন জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার পর তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের মেয়ে মরিয়ম তার ছোট বোন ও সঙ্গীদের নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। সেখানে আবুল হোসেন মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে যান। দীর্ঘ সময় পর তিনি একা ফিরে আসেন। স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা মাঠে গিয়ে মরিয়মের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা বাদী হয়ে জীবননগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আসামির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন। এর আগে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত