ফরিদপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক নাঈম শেখকে হত্যার দায়ে ২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ (পারিবারিক আপিল আদালত) অশোক কুমার দত্ত এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি হলেন আসমত শেখ ও সাগর মোল্লা। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার অপর আসামি আশিক শেখ নাবালক হওয়ায় তার বিচারকাজ শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক নাঈম শেখকে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে আসামিরা মাটিতে পুঁতে রাখেন। ঘটনার পরদিন নিহত নাঈমের ভাই রাসেদ শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দিলেন।
ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আজিজুর রহমান বলেন, "নাঈম শেখকে হত্যার বিষয়টি সাক্ষ্য-প্রমাণে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো, যা সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক বার্তা দেবে।"
\

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক নাঈম শেখকে হত্যার দায়ে ২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ (পারিবারিক আপিল আদালত) অশোক কুমার দত্ত এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি হলেন আসমত শেখ ও সাগর মোল্লা। রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার অপর আসামি আশিক শেখ নাবালক হওয়ায় তার বিচারকাজ শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক নাঈম শেখকে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে আসামিরা মাটিতে পুঁতে রাখেন। ঘটনার পরদিন নিহত নাঈমের ভাই রাসেদ শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দিলেন।
ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আজিজুর রহমান বলেন, "নাঈম শেখকে হত্যার বিষয়টি সাক্ষ্য-প্রমাণে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো, যা সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক বার্তা দেবে।"
\

আপনার মতামত লিখুন