ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘদিনের অমানবিক ও অবৈধ ইসরায়েলি অবরোধ মোকাবিলায় এবার সরাসরি সমুদ্রপথে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে এবং বিশ্ববিবেকের সংহতি জানাতে আন্তর্জাতিক সিভিল সোসাইটির ‘গ্লোবাল ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ অভিযানে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী একটি জাহাজ।
এই মহতী উদ্যোগটি গ্রহণ
করেছে দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান দৃক। গাজার নির্যাতিত
মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই
সাহসী পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন ও সব ধরনের
প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আলোকচিত্রী ও
মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম। বৈঠক শেষে
তিনি জানান, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং অবরুদ্ধ গাজায়
জীবন রক্ষাকারী ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে বিশ্বজুড়ে যে
নৌ-যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে,
বাংলাদেশ সেখানে সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা
পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের ভূয়সী
প্রশংসা করেছেন এবং এই অভিযানের
সফলতায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয়
কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সহায়তা
নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অভিযানের
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিল বাংলাদেশি
এই জাহাজটির সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে
এই ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রায় বাংলাদেশ থেকে ঠিক কতজন
প্রতিনিধি বা যাত্রী অংশ
নিতে পারবেন, তা আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী
সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে। অবরুদ্ধ
গাজার মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের এই সরাসরি অংশগ্রহণ
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলে
আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘদিনের অমানবিক ও অবৈধ ইসরায়েলি অবরোধ মোকাবিলায় এবার সরাসরি সমুদ্রপথে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে এবং বিশ্ববিবেকের সংহতি জানাতে আন্তর্জাতিক সিভিল সোসাইটির ‘গ্লোবাল ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ অভিযানে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী একটি জাহাজ।
এই মহতী উদ্যোগটি গ্রহণ
করেছে দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান দৃক। গাজার নির্যাতিত
মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই
সাহসী পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন ও সব ধরনের
প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আলোকচিত্রী ও
মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম। বৈঠক শেষে
তিনি জানান, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং অবরুদ্ধ গাজায়
জীবন রক্ষাকারী ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে বিশ্বজুড়ে যে
নৌ-যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে,
বাংলাদেশ সেখানে সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা
পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের ভূয়সী
প্রশংসা করেছেন এবং এই অভিযানের
সফলতায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয়
কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সহায়তা
নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অভিযানের
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিল বাংলাদেশি
এই জাহাজটির সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে
এই ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রায় বাংলাদেশ থেকে ঠিক কতজন
প্রতিনিধি বা যাত্রী অংশ
নিতে পারবেন, তা আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী
সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে। অবরুদ্ধ
গাজার মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের এই সরাসরি অংশগ্রহণ
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলে
আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন