সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ অনলাইন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ১১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মুহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে ওই শিক্ষকরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রবিরোধী অনলাইন তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংবিধান, আইন, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকরা শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০১, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
নোটিশে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান, ব্যাখ্যা গ্রহণ এবং বিধি অনুযায়ী চাকরি থেকে অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ অনলাইন তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ১১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মুহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে ওই শিক্ষকরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রবিরোধী অনলাইন তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংবিধান, আইন, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকরা শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০১, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
নোটিশে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান, ব্যাখ্যা গ্রহণ এবং বিধি অনুযায়ী চাকরি থেকে অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন