সংবাদ

দিল্লিতে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পিএম

দিল্লিতে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নয়া দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমান।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এক বিবৃতিতে সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার কয়েকজন অনুসারী বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে এই মতবিনিময়কে তারা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ক্ষতিকর বলে মনে করছে। 

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য অস্বীকার করা ইতিহাসকে উল্টে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ অঙ্গীকার করেছে- দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না। বাংলাদেশ কখনোই কোনো পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। 

শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো স্থান হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী তারা। একই সঙ্গে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ–ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


দিল্লিতে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের নয়া দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমান।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এক বিবৃতিতে সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার কয়েকজন অনুসারী বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে এই মতবিনিময়কে তারা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ক্ষতিকর বলে মনে করছে। 

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য অস্বীকার করা ইতিহাসকে উল্টে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ অঙ্গীকার করেছে- দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না। বাংলাদেশ কখনোই কোনো পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। 

শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো স্থান হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী তারা। একই সঙ্গে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ–ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত